fbpx
কলকাতাহেডলাইন

ফের রাস্তায় কমেছে বেসরকারি বাস, দুর্ভোগের মুখে সাধারণ মানুষ

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: পথে নেমেছিল বেসরকারি বাস। কিন্তু দিন গড়াতেই বাসের সংখ্যা কমতে শুরু করেছে। বাসমালিকদের দাবি, একদিকে প্রতিদিন প্রায় ২হাজার টাকা লোকসান। আনলক ওয়ান শুরু হতেই সরকারি দফতরের সঙ্গে অনেক বেসরকারি অফিস খুলতে শুরু করে। মানুষজন পথে বেরিয়েছে। কিন্তু সরকারি বাস বেসরকারি বাসের ঘাটতি মেটাতে সক্ষম হয়নি বলেই যাত্রীরা অভিযোগ করছে। ফের দুর্ভোগে পড়তে পারে সাধারণ মানুষ।

দীর্ঘ লকডাউন শিথিল হতে পয়লা জুনের পর অধিকাংশ অফিস খুলে গেছে। চারিদিকে যাত্রী গিজগিজ করছে। এদিকে ট্যাক্সি, অটো, ফেরি চালু হলেও চালু হয়নি মেট্রো রেল এবং লোকাল ট্রেন। তাই প্রতিদিনের এত অসংখ্য মানুষকে পরিষেবা দিতে গিয়ে হিমসিম খেতে হচ্ছে প্রশাসনকেও। এদিকে ভাড়া ও অন্যান্য দাবি পূরণ না হওয়ায় বেসরকারি বাস সংগঠন প্রথমে বাস চালাতে রাজি হয়নি। তবে নিজেদের দাবি জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ও পরিবহণ মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলা পর বেসরকারি বাস সংগঠন বাস চালাতে রাজি হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ জয়েন্ট কাউন্সিল অব বাস সিন্ডিকেটের সাধারণ সম্পাদক তপন বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে সরকারি বাসের সংখ্যা বাড়লেও দুর্ভোগ কমেনি যাত্রীদের।সূত্রের খবর, সরকারি বাসের সংখ্যা বাড়লেও দুর্ভোগ কমেনি যাত্রীদের। কারণ বৃহস্পতিবার থেকে বেসরকারি বাস চললেও সেভাবে রাস্তায় নামেনি। প্রতিটি রুটে বেসরকারি বাস দু-চারটে করে রাস্তায় নেমেছে খুব কম রুটেই বেশিরভাগ বেসরকারি বাস পথে নেমেছে।

আরও পড়ুন: খোদ বিচারকের ঘরেই এবার হানা দিল মারণ ভাইরাস

বৃহস্পতিবার থেকেই কলকাতা সহ শহরতলিতে নেমেছে বেসরকারি বাস। পথে বেসরকারি বাস নামায় যাত্রীদের দুর্ভোগ কিছুটা লাঘব হয়। কিন্তু ‘যত সিট তত যাত্রী’ এই নীতিতে বাসের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে বলে দাবি করছেন বাসমালিকরা। যাত্রী সংখ্যা কোনও ক্ষেত্রে মোট সিটের থেকেও কম হচ্ছে বলে তাঁদের দাবি। জয়েন্ট কাউন্সিল অব বাস সিন্ডিকেটের সাধারণ সম্পাদক তপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘লোকসান হওয়ায় রাস্তায় বেসরকারি বাস আজ শনিবার কম নেমেছে। বাস প্রতি প্রায় ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা ক্ষতি হচ্ছে। তাছাড়া কলকাতার বাইরে থাকা বাসের শ্রমিকরা আসতে চাইছেন না। তাঁরা বলছেন, গ্রামে যা জুটবে তাতেই চলবে। এখন কলকাতায় যাব না। ফলে বাস নামানো মুসকিল হয়ে যাচ্ছে।’

 

Related Articles

Back to top button
Close