fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

কংক্রীটের রাস্তার জন্য সমস্যায় বীরভূমে কাজ করতে আসা কলকাতার ‘সারণী’

সুব্রত মুখোপাধ্যায়, সাঁইথিয়া : কলকাতার সল্টলেক থেকে বীরভূমের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারী দরিদ্র মানুষের কাজ করতে এসে সমস্যায় পড়েছে সারণী বলে একটি সমাজসেবা সংস্হা। রাজনগরের কাছে চন্দ্রপুরের কুমকুমা গ্রামে প্রায় কুড়ি লক্ষ টাকা ব্যায়ে যে বিভিন্ন রকমের প্রকল্প অনুযায়ী বাড়িগুলো তৈরী করেছেন তার রাস্তা কাঁচা। সারণীর কর্মকর্তারা মাটির রাস্তায় মোরাম ফেলেছিলেন এবং অঞ্চল প্রধানের সহায়তায় বুল্ডোজার দিয়ে রাস্তা চলাচলের মতো হয়েছিল কিছুদিন। কিন্তু বর্ষার দরুন সে রাস্তা আবার যাতায়াতের অযোগ্য হয়ে গেছে।

 

 

সারণী মুলত কলকাতা থেকে বিভিন্ন জেলার সমাজসেবামুলক সংগঠন থেকে খবর নিয়ে দরিদ্র অথচ মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার খরচ দেয়। তাছাড়া তারা কলকাতার বস্তি অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধের ব্যবস্হা করে। সারণীর কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন কলকাতার অর্থবান বিশিষ্টজনেরা। প্রতিবছর বহু লক্ষ টাকা এরা ব্যায় করেন দরিদ্র ও দুঃস্থ মানুষের সেবায়। এবার তারা বীরভূমে কাজ করতে নেমেছিলেন। মুলত অসুস্হ রোগীদের চিকিৎসা ও বিনামূল্যে ওষুধের ব্যবস্হা, দরিদ্র মানুষদের আধুনিক মাছ চাষের প্রশিক্ষণ, গ্রামের মেয়েদের হাতের কাজ শিখিয়ে অর্থ উপার্জনের শিক্ষা, নেশার কবলে পড়া যুবশক্তিকে সমাজের মুলস্রোতে নিয়ে আসার জন্য ছমাস ওই কেন্দ্রে রেখে বিজ্ঞানভিত্তিক চিকিৎসার ব্যবস্হা থাকবে বলে জানালেন সারণীর কর্মকর্তা দীপা মাইতি। তিনি জানান, এই রাস্তাটা কংক্রীটের করতে পারলে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। এরজন্য তিনি বীরভূমের জেলাশাসক থেকে বিভিন্ন উচ্চপদস্হ আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।

 

 

এমনকি বীরভূম তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতির সঙ্গে কথা বলেছেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুতেই হয়নি। কুমকুমা গ্রামে নির্মীয়মাণ বাড়ির সঙ্গে মূল রাস্তার দূরত্ব খুব বেশী নয়। সারণী থেকে অনেক অর্থ রাস্তা বানাবার জন্য খরচ করা হয়েছে কিন্তু রাস্তাটা কংক্রীট করার মতো অর্থ আর তাদের হাতে নেই। সরকারী সাহায্যে করা হলে সমাজসেবার কাজ দ্রুত শুরু করতে পারতেন। কুমকুমা গ্রামের এক বিঘা জায়গাটি দান করেছেন সিউড়ির বাসিন্দা অমিয় কুমার মন্ডল। এই রাস্তার জন্যই এখন অনেকটা কাজ থমকে আছে বলে জানালেন দীপা মাইতি তা নাহলে এ বছরের আগস্ট মাস থেকে সারণীর সেবামুলক কাজ শুরু হয়ে যেত।

Related Articles

Back to top button
Close