fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

পুজোয় শিশু ও প্রবীণদের সুরক্ষিত রাখুন, পরামর্শ ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনারের

অলোক কুমার ঘোষ, ব্যারাকপুর: পুজোর আগে ব্যারাকপুর শহরের নগরবাসীর উদ্দেশ্যে করোনা ইস্যুতে জন সচেতনতার বার্তা দিলেন উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা। চলতি বছরে যে দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, গত ১০০ বছরের ইতিহাসে দুর্গাপুজোর সময় এত কঠিন পরিস্থিতি আসেনি দেশবাসীর সামনে। করোনা আবহে একদিকে অসুস্থতা থেকে বেঁচে স্বাভাবিক জীবন যাত্রা অতিবাহিত করা, অন্যদিকে রুজি রুটির জন্য চরম জীবন সংগ্রাম করতে হচ্ছে প্রতিটি মানুষকে। এই পরিস্থিতিতে সামনেই দুর্গাপুজো। বাঙালির সেরা উৎসব। কিন্তু কঠিন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি, এখনও করোনার কোনও ওষুধ বাজারে আসেনি। করোনা পরিস্থিতিতে দুর্গাপুজোর সময় একটু গা ছাড়া মনোভাব যে কোন মানুষের ক্ষেত্রে বিপদ ডেকে আনতে পারে, তা ভালোই জানে প্রশাসন।

তাই ব্যারাকপুর নাপিত পাড়ায় এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার পুজোর দিনগুলোতে সকলকে সচেতন থেকে এবছর পুজো কাটানোর পরামর্শ দিলেন।

সামনেই পুজোর মরসুম। এবছর কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে উৎসবের দিনগুলো কাটাতে হবে দেশ ও রাজ্যবাসীকে। করোনা আবহে নাগরিকদের জন্য পুজোর স্পষ্ট নির্দেশিকা এখনো প্রশাসনের পক্ষ থেকে আসেনি। তবে কঠিন পরিস্থিতিতে পুজোর সময় সাবধানে থাকতে হবে সকলকেই।

উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা ব্যারাকপুরে এক অনুষ্ঠানে নাগরিকদের সচেতন করে বলেছেন, “সকলকে সাবধানে থাকতে হবে। বিশেষ করে শিশু ও প্রবীণদের সাবধানে রাখতে হবে। ওদের মধ্যে রোগ ছড়ানোর প্রবণতা বেশি। তাই ওদের নিরাপদে রাখুন পুজোর সময়। শুধু প্রশাসনের উপর নির্ভর করে থাকলে চলবে না। সামাজিক দূরত্ব মেনে বাইরে চলাচল করতে হবে, মাস্ক ব্যবহার আবশ্যক, সঙ্গে রাখতে হবে স্যানিটাইজার। নিজেকে পরিস্কার, পরিচ্ছন্ন রাখুন। সমাজকে সুরক্ষিত করতে প্রশাসনিক সমস্ত নির্দেশ মেনে চলতে হবে। পুজোর সময় এই নিয়মাবলী মেনে চললে করোনা থেকে দূরে থাকা যাবে।

আরও পড়ুন:শিক্ষাবর্ষ শুরু নিয়ে উপাচার্যদের মতামতকে গুরুত্ব দিচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী

” প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিছু দিন আগে পুজো উদ্যোক্তাদের জানিয়ে ছিলেন মণ্ডপ খোলামেলা রাখতে হবে, কাটা ফল ঠাকুরকে দেওয়া ঠিক হবে না, কোন প্যান্ডেলে যাতে বেশি মানুষের ভিড় না হয়, সেটা সকলকে পুজো কমিটিকে খেয়াল রাখতে হবে। পুজোর সময় মানুষ যাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বাইরে যাতায়াত করে সেটা নাগরিকদের নিজেদেরই খেয়াল রেখে চলতে হবে ।

 

Related Articles

Back to top button
Close