fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

দীর্ঘ ৮ বছর বন্ধ ATM, নেই ব্যাঙ্ক মিত্র, অতিমারির আবহে সংকটে মানুষ

এক'শ দিনের জবকার্ডধারীর প্রায় সাড়ে ৭ হাজার অ্যাকাউন্ট রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে, স্কুল পড়ুয়া, পেনশোনভোগী, ব্যাবসায়ী, সাধারন অ্যাকাউন্ট। সব মিলিয়ে প্রায় ২০ হাজার গ্রাহক।

জয়দেব লাহা, দুর্গাপুর: ৮ বছর ধরে বন্ধ এটিএম। নেই ব্যাঙ্ক মিত্রও। করোনা আবহে লাটে উঠেছে সামাজিক দুরত্ব। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে টাকা তুলতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে সাধারন গ্রাহকরা। অভিযোগ, গ্রাহকের ভিড় থাকলেও একটি মাত্র কাউন্টারে লেনদেনের কাজ হয়। আর তাতে ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা। নজিরবিহীন হয়রানি ও দুর্ভোগের ছবি ধরা পড়ল বুদবুদের একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের শাখায়।

বুদবুদ শুকডাল মোড়ে রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত ইউকো ব্যাঙ্কের শাখা। সম্প্রতি আনলক পর্যায়ে ওই ব্যাঙ্কে পরিষেবা নিতে গিয়ে সাধারন মানুষকে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয় বলে অভিযোগ। করোনা আবহে স্বাস্থ্য বিধির নিয়ম অনুযায়ী সকাল ১০ টা থেকে বেলা ২ টা পর্যন্ত ব্যাঙ্ক খোলা রাখার নির্দেশিকা রয়েছে। পরিষেবা নিতে সকাল ৬ টা থেকে গ্রাহকদের লাইন পড়তে শুরু হয়। করোনা আবহে লাটে উঠেছে সামাজিক দুরত্ব, স্বাস্থ্যবিধি।

জানা গেছে, ওই ব্যাঙ্কে বুদবুদ, শুকডাল, তিলডাঙা, সন্ধিপুর সহ বেশ কিছু গ্রামের এক’শ দিনের জবকার্ডধারীর প্রায় সাড়ে ৭ হাজার অ্যাকাউন্ট রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে, স্কুল পড়ুয়া, পেনশোনভোগী, ব্যাবসায়ী, সাধারন অ্যাকাউন্ট। সব মিলিয়ে প্রায় ২০ হাজার গ্রাহক। স্বাভাবিকভাবে গ্রাহকদের পরিষেবার চাহিদা রয়েছে বেশী। অভিযোগ একটি মাত্র কাউন্টারে পরিষেবা দেওয়ায় দুর্ভোগে সাধারন গ্রাহকরা। স্কুল পড়ুয়া থেকে বৃদ্ধ পেনশনভোগী, মহিলা সকলেই হয়রানির শিকার বলে অভিযোগ।

শুক্রবার ব্যাঙ্কের গ্রাহক তথা গলসী-১ নং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বন্যা হালদার জানান,’ বহু গরীব মানুষের এক’শ দিনের কাজের অ্যাকাউন্ট রয়েছে। সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতে সকলের অর্থের প্রয়োজন। গ্রাহক থাকলেও একটি মাত্র কাউন্টারে পরিষেবা দেয়। ফলে ভোগান্তিতে পড়ে মানুষ।

অন্যদিকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ব্যাঙ্ক ম্যানেজার উপেন্দ্র সিং। তিনি জানান,” দুটো কাউন্টারে লেনদেন হয়। স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যাঙ্কে গ্রাহকদের ঢোকানো হয়। স্যানিটাইজ করানো হয়। সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে লাইন দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। গ্রাহকদের কোন আবেদন থাকলে, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।”

Related Articles

Back to top button
Close