fbpx
দেশহেডলাইন

নয়া কৃষি আইনের প্রতিবাদে আজ ধরনায় বসছেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: বিতর্কিত কৃষি বিলে সই করে তা আইনে পরিণত করেছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোভিন্দ। আর এরপরই কৃষি বিল (আইন) বিরোধী আন্দোলন আরও জোরদার করার সংকল্প নিয়েছে বিরোধী এবং দেশের কৃষক সংগঠনগুলি।আর আজ আবার এই আইনের প্রতিবাদে ধর্ণায় বসছেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং। পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী খাটকার কালান গ্রামে ধর্ণায় বসবেন। অমরিন্দর সিং জানিয়েছেন, তাঁর সরকার চেষ্টা করছে যাতে এই আইন পাঞ্জাবে বলবত না হয়। তার জন্য কোনও আইনি পদক্ষেপ করা যায় কিনা সে বিষয়ে আলোচনা চলছে। একটি বিবৃতি দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আইনজীবী ও কৃষি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলছি। কেন্দ্রীয় সরকারের এই জনবিরোধী আইন থেকে কোনও ভাবে পাঞ্জাবের মানুষদের বাঁচানো যায় কিনা সে বিষয়ে কথা বলা হচ্ছে।’

গত সপ্তাহ ধরেই কৃষি বিলের বিরোধিতায় রাস্তায় নেমেছিলেন কৃষকরা। সংসদেও সুর চড়িয়েছিলেন বিরোধীরা। কিন্তু তা স্বত্ত্বেও সংসদের দুই কক্ষেই ধ্বনিভোটে পাশ হয়ে গিয়েছে বিল। রবিবার রাষ্ট্রপতির সইয়ের পর তা আইনে পরিণত হয়েও গিয়েছে। পাঞ্জাবের কৃষকরা গত সপ্তাহ থেকেই রেল রোকো কর্মসূচি নিয়েছে। রেলের তরফে জানানো হয়েছে, এর ফলে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের রফতানিতে সমস্যা হচ্ছে। উত্তর এবং উত্তর-মধ্যে রেলের জেনারেল ম্যানেজার রাজীব চৌধরী সংবাদসংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছেন, ‘এভাবে রেল রোকো আন্দোলনের ফলে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও যাত্রীদের যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছে। এর প্রভাব গোটা রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর পড়ছে।’

আরও পড়ুন: দীর্ঘ ৬ মাস পরে আজ ৪ দিনের উত্তরবঙ্গ সফরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

‘বিতর্কিত’ তিনটি কৃষি বিলের জেরেই বিজেপি এনডিএ জোট ত্যাগ করেছে শিরোমণি অকালি দল। দলের প্রধান সুখবীর সিং বাদল গতকাল বলেছেন, এই বিল আইনে পরিণত হলে জাতীয় অর্থনীতির জন্য তা ধ্বংসাত্মক হতে পারে। শুধু তাই নয়, এনডিএ-র সবচেয়ে পুরনো শরিকদল সকল বিরোধীদের কৃষকদের স্বার্থে এক ছাতার তলায় এসে এই বিলের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার ডাক দিয়েছে। মন্ত্রীত্ব থেকে ইস্তফা দিয়েছেন অকালি দল নেত্রী হরসিমরত কউর বাদলও। অকালি দল এনডিএ জোট ছেড়ে বেরিয়ে আসায় ভালরকমের ধাক্কা খেয়েছে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আবার বারবার বলছেন, এই আইন করা হয়েছে কৃষকদের ভালর জন্যই। বিরোধীরা তাঁদের ভুল বোঝাচ্ছেন। এই কারণে কৃষকদের কাছে যাতে সঠিক বার্তা যায় তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নেতা-কর্মীদের উপর। তাদের বলা হয়েছে কৃষকদের মধ্যে গিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সঠিক কথা তাঁদের বোঝাতে হবে। তাহলেই বিক্ষোভের রাস্তা থেকে তাঁরা সরে আসবেন বলে আসা প্রধানমন্ত্রীর।

Related Articles

Back to top button
Close