fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

সাপ্তাহিক নয়, টানা ১৫ দিনের লকডাউনের দাবি পুরুলিয়ায়

সাথী প্রামানিক, পুরুলিয়া: সাপ্তাহিক নয়, টানা ১৫ দিনের লকডাউনের দাবি উঠল পুরুলিয়ায়। সোচ্চার হলেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে বিধায়কও।

পুরুলিয়া জেলা জুড়ে হুহু করে বাড়ছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা। পুরুলিয়া, রঘুনাথপুর এবং ঝালদা পুর এলাকায় সংক্রমণের হার গতি পেয়েছে। শুক্রবার পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মোট ৩২০ জন আক্রান্ত হন। যদিও তার মধ্যে ২০০ জন আজ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন। এখনও ১১৯ জন পজিটিভ রয়েছেন। আজ নতুন করে ১৫ জনের সংক্রমণ ধরা পড়ে।

কয়েক দিন আগে ঝালদা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য আধিকারিক আক্রান্ত হন করোনায়। তাঁর সংস্পর্শে আসা দুই স্বাস্থ্য কর্মী ও বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মীর রিপোর্ট এসেছে পজিটিভ । এই নিয়ে ঝালদা পৌর এলাকা, ঝালদা ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও ঝালদা পুলিশ কর্মী সহ মোট ১৫ জন আক্রান্ত। এলাকাগুলি কন্টেনমেন্ট জোন ঘোষণা করে জীবাণুমুক্ত করা হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে। নতুন করে আরও তিন জন আক্রান্ত হন। এরা আক্রান্ত স্বাস্থ্য আধিকারিকের সংস্পর্শে এসেছিলেন। প্রাইভেট ক্লিনিক যেখানে রোগী দেখতেন সেই ক্লিনিকের মালিক সহ কর্মচারী আক্রান্ত হন। আর এতেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে ঝালদায়।

ঝালদার বাসিন্দা সঞ্জয় সিং বলেন, ঝালদা এলাকায় যে পরিমানে বাড়ছে আক্রান্ত তাতে আমরা আতঙ্কিত। কারণ এখানে প্রথমে ঝালদা ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক আক্রান্ত হয় আর উনি ঝালদা শহরের বেশ কয়েকটি ওষুধ দোকানে প্রাইভেট প্র্যাক্টিস করেন। তাই, আমাদের দাবি এই কয়েকদিনে তিনি কতগুলো রুগী দেখেছেন তাঁদের সঠিক ভাবে চিহ্নিত করা। তা না হলে আরও বিপদের মুখে পড়ব আমরা। এই অবস্থায় শুধু কন্টেনমেন্ট জোন ঘোষণা করলেই হবে না, সেই পরিবার গুলির দায়িত্ব নিতে হবে প্রশাসনকে। তাদের নিত্য প্রয়জোনীয় সামগ্রী থেকে পানিও জল সরবরাহ করতে হবে প্রশাসনকে।
সাপ্তাহিক লকডাউন নয়, অন্তত লম্বা লকডাউন করতে হবে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে এই দাবি করেন স্থানীয় বিধায়ক নেপাল মাহাতোও। তিনি বলেন, যেভাবে অতিমারীর দিকে এগোচ্ছে এলাকা তাতে প্রশাসনকে আরও কঠোর হতে হবে। অবিলম্বে কমপক্ষে ১৫ দিন লাগাতার লকডাউন করতে হবে ঝালদা সহ পুরুলিয়ায়।

প্রশাসক প্রদীপ কর্মকার বলেন, এখনই কোন নতুন করে লকডাউন নয়, রাজ্য সরকারের সাপ্তাহিক লকডাউনই বহাল থাকছে। পরবর্তী রিপোর্ট ও পরিস্থিতি দেখে লকডাউনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Related Articles

Back to top button
Close