fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

নির্মল বাংলার শৌচাগার নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী দেওয়ার অভিযোগ, সরব বিজেপি

জয়দেব লাহা, দুর্গাপুর:-  সিমেন্টের সঙ্গে ছাই! তৈরির আগেই ফাটল ধরছে শৌচাগারে। নির্মল বাংলার শৌচাগার নির্মাণে এমনই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যাবহারের অভিযোগ উঠল। ঘটনার প্রতিবাদ কাজ বন্ধ করে দিল গ্রামবাসীরা। তদন্তের দাবিতে সরব হল বিজেপি। সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে  কাঁকসার বিষ্ণুপুর গ্রামে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কাঁকসা ব্লক প্রশাসন।

ঘটনায় জানা গেছে, সম্প্রতি কাঁকসার মলানদীঘি পঞ্চায়েতের বিষ্ণুপুর গ্রামে উপভোক্তাদের নির্মল বাংলায় শৌচাগার নির্মাণ শুরু হয়েছে। সপ্তাহখানেক ধরে চলছে সেই নির্মাণ কাজ। নব নির্মত শৌচাগারগুলির কয়েকটিতে ফাটল ধরায় সন্দেহ এলাকাবাসীর। সোমবার গ্রামের কয়েকটি পরিবারে শৌচাগার নির্মাণ কাজ শুরু হতেই গ্রামবাসীরা যান। হাত সেলাই সিমেন্ট বস্তা দেখে তাদের সন্দেহ হয়। তখনই কাজ বন্ধ করে বিক্ষোভ শুরু করে গ্রামবাসীরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বিজেপিকর্মীরা। তদন্তের দাবিতে সরব হয় বিজেপি।

স্থানীয় বিজেপির মন্ডল সম্পাদক ভগীরথ ঘোষ বলেন,” সরকারি টাকা নয়ছয় হচ্ছে। তৈরির দিন কয়েকের মধ্যে নির্মিয়মান শৌচাগারের ফাটল দেখে সন্দেহ হয়। তারপর হাত সেলাই সিমেন্ট বস্তা দেখে সন্দেহ জোরাল হয়।  অনুমান সিমেন্টের সঙ্গে ছাই মেশানো হয়েছে। তাছাড়াও শৌচাগারের দরজা দেখে মনে হচ্ছে আমড়া গাছের কাঠ দিয়ে তৈরি। নিম্নমানে স্লাগ ইট ব্যবহার হচ্ছে। মাস কয়েকের মধ্যেই ভেঙে পড়বে। ঠিকাদারের কাছে সিডিউল দেখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তিনি সেটা দেখাননি। তাই আমাদের ধারনা কাজে দুর্নীতি হয়েছে। তদন্তের দাবি জানিয়েছি।”

যদিও তৃণমূল পরিচালিত মলানদীঘি পঞ্চায়েত প্রধান পীযূষ মুখোপাধ্যায় বলেন,” নির্মাণ সামগ্রী যাচাই করার দক্ষতা আমাদের নেই। একমাত্র বিশেষজ্ঞ পরীক্ষা করে বলতে পারবে। সন্দেহ থাকলে লিখিত অভিযোগ জানালে তদন্ত হত। এভাবে উন্নয়নের কাজকে বাধা দেওয়া, আটকে দেওয়া অনুচিত।”  কাঁকসা বিডিও সুদীপ্ত ভট্টাচার্য্য জানান, “বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। যে সংস্থার কাছে সিমেন্ট নেওয়া হয়েছিল। সেগুলি বদলে দিতে বলা হয়েছে।”

Related Articles

Back to top button
Close