fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

কোয়ারান্টাইন সেন্টারের তালা ভেঙ্গে বাইরে বেড়িয়ে এসে বিক্ষোভ পরিযায়ী শ্রমিকদের

বিজয় চন্দ্র বর্মন, মেখলিগঞ্জ: পরিযায়ী শ্রমিকদের মাধ্যমে করোনার সংক্রমন যাতে ছড়িয়ে না পড়ে সে জন্য বিভিন্ন কোয়ারান্টাইন সেন্টারে তাদের রাখা হচ্ছে। প্রশাসনের তরফে তাদের থাকা -খাওয়ার ব্যাবস্থা চলছে। কিন্তু মেখলিগঞ্জের একটি কোয়ারান্টাইন সেন্টারে পরিযায়ী শ্রমিকরা নিয়ম ভঙ্গ করে এলাকায় করোনার সংক্রমন ছড়ানোর আতঙ্কের পরিবেশ তৈরী করেছেন বলে অনেকে জানান। যা দেখে হতভম্ব প্রশাসন ও সাধারন মানুষ।

কোয়ারান্টাইন সেন্টারের তালা ভেঙ্গে বাইরে বেড়িয়ে এসে পাকা রাস্তা অবরোধ করলেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। ঘটনাটি ঘটেছে মেখলিগঞ্জ ব্লকের উছলপুকুরি গ্রাম পঞ্চায়েতের ধুলিয়াহাট কোয়ারান্টাইন সেন্টারে। পরিযায়ী শ্রমিকদের অভিযোগ, তাদের নিম্ন মানের খাবার দাবার দেওয়া হচ্ছে। এমনকি তাদের যে কোয়ারান্টাইন সেন্টারে রাখা হয়েছে সেখানে জলের ব্যাবস্থা নেই। দু-এক দিন ধরে বিদ্যৎ ও সেখানে নেই। ফলে তারা সেখানে অন্ধকারে দিন কাটাচ্ছে। তাদের ঠিক সময় মতো খাবার দেওয়া হচ্ছে না বলেও তারা অভিযোগ জানিয়েছেন।

পরিযায়ী শ্রমিকরা সেখানে বি ডি ও এর গাড়ি আটকে বিক্ষোভ দেখায় এবং প্রশাসনের দেওয়া খাবার তারা ফেরত দেয়। সেই সাথে পরিযায়ী শ্রমিকরা কোয়ারান্টাইন সেন্টার থেকে বাইরে এসে বিভিন্ন দোকানে গিয়ে হুমকি দিয়ে জিনিষ পত্র নেওয়ার দাবি করে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় দোকানদাররা।

ফলে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় দোকানদারদের দাবি, যেহেতু পরিযায়ী শ্রমিকরা কোয়ারান্টাইন সেন্টার থেকে বাইরে বেড়িয়ে বিভিন্ন দোকানে গিয়েছে, তাই সমস্ত এলাকা স্যানিটাইজড করতে হবে। ফলে অন্যদিকে এই দাবিতে ধুলিয়াহাটের দোকানদাররাও পথ অবরোধ করে।

পরিযায়ী শ্রমিকদের সাথে সেখানকার দোকানদারদের বাগবিতন্ডা শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে সেখানে এসে পৌঁছায় মেখলিগঞ্জ থানার পুলিশ। অবশেষে বিকেলের দিকে ব্লক প্রশাসনের তরফে পরিযায়ী শ্রমিকদের সমস্ত সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হলে তারা অবরোধ তুলে নেয়।

অন্যদিকে বাজারের দোকানদারদের দাবি মতো সমস্ত বাজার এলাকায় স্যানিটাইজড করা হয়েছে ব্লক প্রশাসনের উদ্যোগে। বর্তমানে সেখানকার পরিস্থিতি শান্তিপূর্ন রয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close