fbpx
কলকাতাহেডলাইন

কেন্দ্রীয় যুগ্ম সচিবের চিঠিকে হাতিয়ার করে খাদ্যমন্ত্রীকে সরানোর দাবি রাহুলের

শরণানন্দ দাস, কলকাতা: রেশন দুর্নীতিকে ইস্যু করে রাজ্য সরকারের উপর ক্রমশ চাপ বাড়াচ্ছে রাজ্যের গেরুয়া শিবির। আর এই আবহে পড়ে পাওয়া চোদ্দ আনার মতো কেন্দ্রীয় খাদ্য দফতরের যুগ্ম সচিবের চিঠিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার করছে রাজ্য বিজেপি। দলের কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা শনিবার বলেন,’ রেশন দুর্নীতির পিছনে একটা বড় ষড়যন্ত্র রয়েছে। আমি যে অন্ধকারে ঢিল ছুঁড়িনি তার প্রমাণ কেন্দ্রীয় খাদ্য দফতরের যুগ্ম সচিব এস জগন্নাথের পাঠানো চিঠি। রাজ্যের খাদ্যসচিব পারভেজ আহমেদকে চিঠি পাঠিয়ে অনুরোধ করেছেন ৬.২ কোটি মানুষের জন্য প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনার সুবিধা নিতে প্রশাসন তৎপর হোক। আমি এই বিষয়ে আগেই মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের অপসারণ চেয়েছিলাম। আবারও একই দাবি করছি। খাদ্যসচিবকে সরিয়ে কিছু হবে না, নতুন খাদ‌সচিব কিছু করতে পারবেন না।’

তিনি বলেন,’ কয়েকদিন আগে আমি মুখ্যমন্ত্রীকে ১০ টা প্রশ্ন পাঠিয়েছিলাম। তারপর তড়িঘড়ি সাংবাদিক বৈঠক ডেকে রেশন নিয়ে কড়া পদক্ষেপের হুমকি দেন। কিন্তু কোন লাভ হয়নি। অব্যবস্থা বেড়েছে বই কমেনি। এই পরিস্থিতিতে যদি মুখ্যমন্ত্রীর সদিচ্ছা থাকে রেশন ব্যবস্থাকে দুর্নীতি মুক্ত করবেন তাহলে অবিলম্বে রেশন দুর্নীতি নিয়ে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিন। আর খাদ্যমন্ত্রীকে পদ থেকে সরিয়ে দিন, রেশন ব্যবস্থাকে ত্রুটিমুক্ত করুন।’  প্রসঙ্গত কেন্দ্রীয় খাদ্য দফতরের যুগ্ম সচিব চিঠিতে লিখেছেন, ‘ করোনা পরিস্থিতির কঠিন সময়ে তিন মাসের জন্য প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনায় অতিরিক্ত ৫ কেজি খাদ্যশস্য দেওয়া হবে। গত ,৩০ মার্চ সমস্ত রাজ্যকে জানানো হয়েছিল খাদ‌শস্য তুলে নেওয়ার জন্য। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকার কিছু করেনি।’

আরও পড়ুন: ‘আমরা করোনায় আক্রান্ত হলে আপনাদের শরীরেও ভাইরাস ঢোকাব’! ফের হুমকির মুখে ডাক্তাররা

বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদকের অভিযোগ ‘রেশনে এই অব্যবস্থা ম্যানমেড। তৃণমূলের তৈরি করা। কেন্দ্রীয় সরকারের পাঠানো খাদ্যসামগ্রী এফসিআইএর গুদামে পৌঁছে গিয়েছে অথচ ঠিকভাবে বণ্টন হচ্ছে না। গত ২৮ মার্চ কেন্দ্রীয় সরকারের পাঠানো চাল তোলার জন্য এ মাসের ১৯ তারিখ রাজ্যের খাদ্যসচিব নির্দেশ দিচ্ছেন। এর অর্থ কি? রাজ্যের মানুষ খাবার না পেয়ে বিক্ষোভ করছে, আর অন্যদিকে এফসিআইয়ের গুদামে চাল, ডাল পড়ে থাকলেও রাজ্য তুলছে না। এই নিকৃষ্ট রাজনীতির নিন্দা করছি।’

Related Articles

Back to top button
Close