fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

রেল হাসপাতালের তিন চিকিৎসক সহ ৩৭ জনের হোম কোয়ারেন্টাইন,এলাকা সিল করলো পুলিশ

শুভেন্দু বন্দোপাধ্যায়, আসানসোল: তৃতীয় দফার লকডাউনের শেষদিন রাতে পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোলে একজন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত গৃহবধূর হদিশ মিলল। আসানসোল পুরনিগমের ২১ নং ওয়ার্ডের রেলপারের ধাদকার কেএসটিপি এলাকার বাসিন্দা হলেন ওই গৃহবধূ। চতুর্থ দফা লকডাউন শুরুতেই নতুন করে আরও এক করোনা আক্রান্তর খবরে আসানসোল শহর সহ জেলা জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

জানা গেছে, ওই গৃহবধূর স্বামী পূর্ব রেলের আসানসোল ডিভিশনের লোকো পাইলট বা ট্রেন চালক। গত ১১ মে ওই গৃহবধূ গর্ভবতী অবস্থায় আসানসোলে ডিভিশনাল রেল হাসপাতালে ভর্তি হন। দুদিন পরে তিনি সন্তানের জন্ম দেন। কিন্তু তার কিছু উপসর্গ দেখা দেওয়ায় রেলের চিকিৎসকরা তাকে কেবিনে রাখার পাশাপাশি, তার লালারস বা সোয়াব পরীক্ষার জন্য পাঠান। রবিবার রাতে সেই পরীক্ষার রিপোর্ট আসে। তাতে জানা যায়, তিনি করোনায় আক্রান্ত। এরপরই রেল হাসপাতাল কতৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে। গোটা বিষয়টি জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দফতরকে জানায়। রাতেই ওই প্রসূতি ও তার সদ্যজাতকে রেল হাসপাতাল থেকে দূর্গাপুরে কোভিড ১৯ হাসপাতালে পাঠানো হয় তাকে। তবে সদ্যোজাতের পরীক্ষার রিপোর্টে কিছু আসেনি।
সোমবার রেল হাসপাতালের সিএমএস ডাঃ বিশ্বজিৎ ঘটক বলেন, ওই প্রসূতির সংস্পর্শে এসেছিলেন হাসপাতালের তিন চিকিৎসক, ১২ জন নার্স সহ মোট ৩৩ জন। তাদেরকে ১৪ হোম কোয়ারান্টাইনে থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য দপদফতরের নির্দেশ তাদেরকে বলা হয়েছে। তাদের লালারস বা সোয়াব পরীক্ষা করা হবে।

অন্যদিকে, আসানসোল পুরনিগমের ২১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার বাপি হুইলার সোমবার বিকালে বলেন, ওই প্রসূতির বাড়ি সহ মোট ১২ টি বাড়ির এলাকা সিল করে দেওয়া হয়েছে। বাড়ির ৪ জনের লালারস পরীক্ষার জন্য নেওয়া হয়েছে। তাদেরকে কোয়ারান্টাইন করা হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি এলাকায় ৮ জন ভলেন্টিয়ার রাখা হয়েছে। ১২টি লোকেদের বাড়ির বাইরে আসতে মানা করা হয়েছে। ভলেন্টিয়াররা তাদেরকে প্রয়োজনীয় জিনিস দেবে। গোটা পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close