fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

শিলাবৃষ্টি ও কালবৈশাখীর দাপটে ক্ষতির মুখে মন্তেশ্বর,পূর্বস্থলীর চাষীরা

অভিষেক চৌধুরী কালনা: লকডাউনের জেরে যখন উপযুক্ত শ্রমিকের অভাব ঠিক তখনই শিলাবৃষ্টি ও কালবৈশাখীর ঝড়ের দাপটে দিশেহারা চাষীরা। ধান কেটে ঘরে তোলার মুখে কয়েক মিনিটের শিলাবৃষ্টি ও ব্যাপক ঝড়ে ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরের ও পূর্বস্থলী ১ ব্লকের কয়েকটি এলাকার চাষীদের। স্বাভাবিক কারণেই চাষীর মাথায় হাত। যদিও বিষয়টি লিখিত আকারে স্থানীয় সমবায় সমিতি ও চাষীদের পক্ষ থেকে কৃষি আধিকারিকদের জানানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

বুধবার রাত ও বৃহস্পতিবার ভোরে মন্তেশ্বরের পুটশুড়ি,হাজরাপুর,মথুরা,চন্দনপোতা সহ বেশ কয়েকটি এলাকায় ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে শিলাবৃষ্টি হয় বিক্ষিপ্তভাবে। আর এই কারণে ওই সব এলাকায় থাকা বোরো ধান ও পাটের ক্ষতি হয়েছে বলে জানান চাষীরা। লকডাউনের মতো পরিস্থিতিতে ঘরে ফসল তোলার মতো উপযুক্ত শ্রমিক যখন নেই তখন প্রকৃতির এই মারে এইবারের ফসল যে কতটা ঘরে তুলতে পারবেন সেই নিয়েই দুশ্চিন্তায় চাষীরা।

তারা জানান জমিতে গিয়ে দেখা যায় ধানের বেশিরভাগ গাছ থেকে ধান মাটিতে ঝরে পড়েছে। গাছগুলি নষ্ট হয়ে গেছে।ওই এলাকার চাষী বাবু ঘোষ,কৌশিক পাঠকরা বলেন,‘ বুধবার রাত ও বৃহস্পতিবার ভোরে ব্যাপক শিলাবৃষ্টি ও ঝড় হয় এই এলাকার বিভিন্ন গ্রামে।স্বাভাবিক কারণেই ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়। এইরকম পরিস্থিতিতে আমরা কি করবো বুঝে উঠতে পারছি না। এমনিতেই লকডাউন চলছে। তার উপর শিলাবৃষ্টি ও কালবৈশাখীর ঝড়ের দাপটে ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বুঝতে পারছি না ফসল এইবার ঘরে তুলতে পারবো কিনা।তাই এমতাবস্থায় ক্ষতিপূরণে বীমার সুবিধা যদি পাওয়া যায় তাহলে আমরা উপকৃত হই।

তাই এই মর্মে মথুরা সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতির পক্ষ থেকেও এলাকার চাষীরা বিষয়টি লিখিতভাব কৃষি আধিকারিকদের জানান। ওনারাও সরেজমিনে পরিদর্শণে আসেন। এছাড়াও পূর্বস্থলী ১ ব্লকের নাদনঘাট,বগপুর পঞ্চায়েত এলাকাতেও ঝড়ের দাপটে পাটচাষে ক্ষতি হয়েছে বলে জানান চাষীরা।এই বিষয়ে জেলার সহ কৃষি আধিকারিক পার্থ ঘোষ বলেন,‘কোথায় কতটা ক্ষতি হয়েছে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।শস্যবীমার উপর বোঝা যাবে ফসলের ক্ষতি কতটা হয়েছে। সেইমতো চাষীদের ক্ষতিপূরণের বিষয়টি দেখা হচ্ছে।’

Related Articles

Back to top button
Close