fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বৃষ্টি কমবে উত্তরবঙ্গে,দক্ষিণবঙ্গে বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বর্ষণ

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: উত্তরবঙ্গের মতো এবার দক্ষিণবঙ্গেও ধেয়ে আসছে ঘোর বর্ষা, জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর । বঙ্গোপসাগরের উপর বিরাজ করা নিম্নচাপ এবং সেই সঙ্গে সঙ্গী হয়েছে দিক পরিবর্তিত মৌসুমি বায়ু, এই দুইয়ের প্রভাবেই রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে বলে আশা রাখছে হাওয়া অফিস। যার জেরে এবার বৃষ্টিতে ভাসবে বাংলাও।

সোমবার দিনভর মেঘলা আকাশ থাকলেও বৃষ্টি হল না। ফলে কলকাতায় জারি থাকল অস্বস্তিকর আবহাওয়া। আজ মঙ্গলবারও যা একইরকম রয়েছে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ফের বেড়েছে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা গত ২৪ ঘণ্টায় কম থাকলেও। আজ বৃষ্টি না হলে ফের তা বৃদ্ধি পেতে পারে। আজ মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে আক ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ আর্দ্রতার পরিমান ৯৪ শতাংশ সর্বোচ্চ ৭৬ শতাংশ। বৃষ্টি হয়েছে ছিটেফোঁটা। দমদম , সল্টলেক কোথাও বৃষ্টি হয়নি। আজ তাপমাত্রা থাকবে সর্বোচ্চ ৩৩ সর্বনিম্ন ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে।

হাওয়া অফিস জানাচ্ছে , দক্ষিণবঙ্গে বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি হতে পারে কয়েকটি জেলায়। বাতাসে জলীয় বাষ্প থাকায় আর্দ্রতা জনিত অস্বস্তি জারি থাকবে।কলকাতা, হাওড়া, হুগলি-সহ একাধিক জেলায় হালকা থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেইসঙ্গে দক্ষিণের বেশ কয়েকটি জেলা আলিপুর দুয়ার ও কোচবিহার, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুরে রয়েছে আগাম বৃষ্টির সতর্কতা। পাশাপাশি উত্তরের বেশ কয়েকটি জেলা, যেমন- দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং কালিম্পঙে প্রবল বৃষ্টিপাতের ইঙ্গিত দিচ্ছে হাওয়া অফিস। রয়েছে বন্যার আশঙ্কাও।

আরও পড়ুন: জলপাইগুড়ির বন্যা কবলিত এলাকাগুলি পরিদর্শনে সাংসদ জয়ন্ত রায়, জানালেন, খুব সমস্যায় রয়েছে মানুষ

প্রসঙ্গত , আগামী কয়েকদিনে বৃষ্টি কমতে পারে উত্তরবঙ্গেও। এমনটাই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। কারণ মৌসুমি অক্ষরেখা দক্ষিণ পশ্চিমে সরে গিয়ে অবস্থান করছে দুমকা ও ক্যানিং-এর উপর। এর ফলেই আগামী কয়েকদিনে বৃষ্টির পরিমান অল্প কমতে পারে উত্তরবঙ্গে। তবে একেবারেই যে তা কমে আসবে তা নয়। গত কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টি চলছে গোটা উত্তরবঙ্গ জুড়ে। পাহাড়ের বৃষ্টিতে জল বাড়তে শুরু করেছে তোর্সা-তিস্তায়। অসংক্ষিত এলাকায় বহু গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। জলের তলায় চলে গিয়েছে বিঘের পর বিঘে জমির ফসল।

১৪ জুলাই আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারের কিছু কিছু স্থানে ৭০ থেকে ১৯০ মিলিমিটার অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিং, কালিম্পং ও জলপাইগুড়ির কিছু স্থানে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বাকি জেলায় অল্প বিস্তর বৃষ্টি চলবে। ভারী ও অতিভারী বৃষ্টি সম্পন্ন জেলায় কমলা সতর্কতা জারি করে রাখা হয়েছে। ১৫ জুলাই আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার, দার্জিলিং, কালিম্পং ও জলপাইগুড়িতে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার ভারী বৃষ্টি হতে পারে। কমলা সতর্কতা জারি করে রাখা হয়েছে এদিনের জন্যেও। এদিকেএই বৃষ্টিতে স্বাভাবিকভাবেই জল বাড়বে নদীগুলিতেও। সে জন্য কৃষক এবং মত্‍স্যজীবিদের সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close