fbpx
একনজরে আজকের যুগশঙ্খদেশহেডলাইন

রাজস্থান বিধানসভায় পাশ ‘বাল্যবিবাহ’ বিল! তীব্র প্রতিবাদ বিজেপির

নিজস্ব প্রতিনিধি: তবে কি বাল্যবিবাহের পক্ষে সায় আছে কংগ্রেস শাসিত রাজস্থান সরকারের? এই প্রশ্ন প্রবলভাবে উঠছে রাজস্থান সরকারের ভূমিকায়। শুক্রবার রাজস্থান বিধানসভায় পাশ হয়ে গেল বিতর্কিত বাল্যবিবাহ সংশোধনী বিল। এর ফলে এবার থেকে শিশু এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের বিবাহও নথিভূক্ত করা যাবে। বলা ভাল, এবার থেকে বাল্যবিবাহ নথিভুক্তকরণ বাধ্যতামূলক করে দেওয়া হল রাজস্থানে। স্বাভাবিকভাবেই এই বিলের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে বিজেপি। বিজেপির অভিযোগ, এই বিল পেশ করে আসলে ঘুরিয়ে বাল্যবিবাহকে স্বীকৃতি দিয়ে দিল রাজস্থান কংগ্রেস। যদিও, কংগ্রেস সেই দাবি উড়িয়ে দিয়েছে। ওই বিতর্কিত বিলটিতে বলা হয়েছে, এবার থেকে বিবাহিত দম্পতিরা কোনও এলাকায় ৩০ দিনের বেশি বসবাস করলেই, সেই এলাকায় বিবাহ রেজিস্ট্রির জন্য স্থানীয় আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। আর বাল্যবিবাহের ক্ষেত্রে বিয়ে দেওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অভিভাবকদের সমস্ত নথি-সহ স্থানীয় আধিকারিকের কাছে নথিভুক্তকরণের জন্য আবেদন করতে হবে। ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করা হলেই সেই বিবাহগুলি নথিভুক্ত করা হবে। ঠিক এই জায়গাতেই আপত্তি তুলেছে বিজেপি। তাদের দাবি, এর মানে এটাই দাঁড়ায় বাল্যবিবাহকে কার্যত আইনি স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য সাতের দশক পর্যন্ত দেশে, বিশেষ করে রাজস্থানে বাল্যবিবাহের সংখ্যা ছিল চোখে পড়ার মতো। সেখানে এখনও বাল্যবিহারের চল আছে। রাজস্থানের বিরোধী দলনেতা গুলাব চাঁদ কাটারিয়া বলছেন,”যারা এই বিলকে হাত তুলে সমর্থন করছেন তাঁরা বিলটি পড়ে দেখেননি। এর ৮ নম্বর ধারা স্পষ্টতই বর্তমানে কার্যকর বাল্য বিবাহ আইনের পরিপন্থী।” বিজেপির এক বিধায়ক বলছেন,”এই বিল পাশ হলে তা হবে বিধানসভার জন্য একটি কালো দিন। বিধানসভা কি আমাদের বাল্যবিবাহে সম্মতি দেওয়ার অনুমতি দেয়? হাত তুলে বিলের সমর্থনে দাঁড়ানোর অর্থ হল বাল্যবিবাহ সমর্থন করা।”
কংগ্রেস অবশ্য বিজেপির যুক্তি মানতে নারাজ। তারা বলছে, “সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ীই বিলটি পাশ করানো হয়েছে। তাছাড়া, এতে কোথাও বাল্যবিবাহকে সমর্থনের কথা বলা নেই। বরং, বাল্য বিবাহকে নথিভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। আসলে ম্যারেজ সার্টিফিকেট ভীষণ জরুরি একটি নথি। এই নথি না থাকলে বিধবারা অনেক সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন।” বিলের পক্ষে এমন যুক্তিই দেখিয়েছে তারা।

Related Articles

Back to top button
Close