fbpx
দেশহেডলাইন

স্পিকারের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করতে পারে না আদালত, হাইকোর্টে সওয়াল সিংভির

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক:  রাজস্থান সরকার টলমল করছে গেহলটের গদি,​সরকার বাঁচাতে স্পিকারের পাশে কংগ্রেস! পাইলট বনাম গেহলট দ্বন্দ্বে মরুরাজ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে। স্পিকারের কাজে হস্তক্ষেপ করা নিয়ে এবার বিদ্রোহী বিধায়কদের বিরুদ্ধে একহাত নিল কংগ্রেস। আইন লড়াই শুরু রাজস্থান হাইকোর্ট। রাজস্থান বিধানসভার স্পিকার সিপি যোশীর আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভির সাফ সওয়াল, স্পিকারের ক্ষমতায় হস্তক্ষেপ করতে পারে না আদালত।  সোমবার হাইকোর্টে যখন ১৮ জন পাইলট অনুগামীদের আবেদনে ভিত্তি শুনানী শুরু হয়, সেই সময় স্পিকার সিপি যোশির হয়ে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি জানান, স্পিকারের কাজকর্ম নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারেন না বিক্ষুব্ধ বিধায়করা। এমনকি খোদ হাইকোর্টেরও এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না স্পিকার এবং বিধানসভা।

প্রসঙ্গত, দল বিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে, রাজ্যের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্য কংগ্রেসের সভাপতি সচিন পাইলটকে বহিষ্কার করেছে রাজস্থান কংগ্রেস। পাশাপাশি, রাজ্য বিধানসভার স্পিকার সিপি যোশী শচীন পাইলট ও তাঁর ১৮ অনুগামী বিধায়ককের বিধায়ক পদ খারিজ কেন হবে না তা জানতে চেয়ে নোটিস পাঠিয়েছে। সেই নোটিসকে চ্যালেঞ্জ করে রাজস্থান হাইকোর্টের দরজায় কড়া নেড়েছে শচীন শিবির। তাঁদের পক্ষে সওয়াল করছেন হরিশ সালভে। এরপরেই আদলত নির্দেশ দিয়েছিল আগামী মঙ্গলবার অবধি ওই বিধায়কদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নিতে পারবেন না স্পিকার। এদিন সেই মামলার শুনানীতেই সিপি যোশীর হয়ে সওয়াল করেন মনু সিংভি।

যে আইনের বলে স্পিকার সচিন ও তাঁর অনুগামীদের ওই নোটিস দিয়েছেন, সংবিধানের সেই ১০ নম্বর অনুচ্ছেদের ২(১)এ  এর প্রয়োগকেই চ্যালেঞ্জ করেছে শচীন শিবির। সচিন পাইলট শিবিরের বক্তব্য, দলের বিরুদ্ধে বিরক্তি প্রকাশ করা বা দলের নেতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করাকে দল বিরোধী কার্যকলাপ বলা যায় না। ওই কাজের জন্য  সংবিধানের ১০ নম্বর অনুচ্ছেদের ২(১)এ  প্রয়োগ করা যায় না। এনিয়েই শুনানি শুরু হয়েছে রাজস্থান হাইকোর্টে।

আরও পড়ুন: কর্ণাটকে উচুঁ শ্রেণীর ব‍্যক্তির বাইক স্পর্শ করার অপরাধে দলিত পরিবারকে গণপিটুনি

রাজ্যের স্পিকারের পক্ষে সওয়াল করতে উঠে আজ অভিষেক মনু সিংভি বলেন, স্পিকার ভুল বা ঠিক করতেই পারেন। তাঁর ভুল করারও অধিকার রয়েছে। শুধুমাত্র নোটিস দেওয়া হয়েছে। যতক্ষণ না স্পিকার বিধায়কপদ খারিজ করে না দেন ততক্ষণ আদালতে তা চ্যালেঞ্জ করা যায় না। অভিষেক মনু সিংভি সুপ্রিম কোর্টের একটি রায় তুলে ধরে বলেন, বিধায়কপদ খারিজ নিয়ে স্পিকারের কোনও সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করতে পারে না আদালত।

এদিন তিনি আরও বলেন যে স্পিকার এখনও কোনও সিদ্ধান্তে আসেনি। আর তার আগেই বিক্ষুব্ধ বিধায়করা কিভাবে আদালতে আবেদন করতে পারে? উল্লেখ্য, হয়তো চলতি সপ্তাহতেই বিধানসভায় ফ্লোর টেস্টে যেতে পারে গেহলট শিবির। সেই সময় যাতে শচিন পাইলট এবং তাঁর অনুগামী বিধায়করা যাতে কোনও সমস্যা সৃষ্টি না করে, সেইজন্যই তাঁদের সদস্যপদ বাতিল করতে স্পিকার সিপি যোশীর স্মরণাপন্ন হয়েছিল কংগ্রেস।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close