fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

সবসময় অস্ত্র হাতে তুলেই সমস্ত বিবাদ মেটানো যায় না, ভারত-চিন নিয়ে মুখ খুললেন রাজনাথ

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক:  চিনের সঙ্গে যে সামরিক চাপানউতোর তৈরি হয়েছে তা নিয়ে মুখ খুললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। শনিবার একটি বৈদ্যুতিন মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাত্‍কারে রাজনাথ স্পষ্ট বলেন, ভারতের গর্বে আঘাত হানবে এমন কোনও কিছুকে সরকার বরদাস্ত করা হবে না। রাজনাথ সিং জানান, ভারত এবং চিন পরস্পর এই সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছে। বিশেষ করে সামরিক এবং কূটনৈতিক পর্যায় নিয়েই দুই দেশের মধ্যে কথাবার্তা চলছে। সবসময় অস্ত্র হাতে তুলেই সমস্ত বিবাদ মেটানো যায় না। মাঝেমধ্যে আলোচনার মাধ্যমেও সমস্যার সমাধান করতে হবে বলে আমরা মনে করি।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই চিনের সঙ্গে ভারতের সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে পূর্ব লাদাখে। চিন যেমন সীমান্ত লাগোয়া অঞ্চলে সেনা মোতায়েন বাড়িয়েছে। নয়াদিল্লিও লাদাখে মোতায়েন করেছে অতিরিক্ত কয়েক হাজার সেনাকে। এমনকি সেনা প্রধান জেনারেল এমএম নারাবানে লে-তে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে একপ্রস্থ বৈঠকও সেরে ফেলেন। প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করেন নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এবং বিপিন রাওয়াতের সঙ্গে। বেজিংয়ের সঙ্গে যখন নয়াদিল্লির সম্পর্কের পারদ চড়তে শুরু করেছে ঠিক তখনই এই সংঘাতকে বন্ধ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু ভারত সরকার সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিল।

রাজনাথ বলেন, ‘শুক্রবার আমার সঙ্গে মার্কিন প্রতিরক্ষাসচিব মার্ক টি এসপারের টেলিফোনে কথা হয়েছে। আমি তাঁকে বলেছি, সমস্যা সমাধানে ভারত এবং চিন সেনা ও কূটনৈতিক স্তরে কথোপকথন চালাচ্ছে।’ রাজনাথ আরও বলেছেন, ‘আমি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই, কোনও ভাবেই ভারতের গর্বে আঘাত হানবে এমন কিছুকে সরকার বরদাস্ত করবে না। প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার ব্যাপারে ভারতের স্বচ্ছ নীতি রয়েছে। এবং তা নতুন নয়, দীর্ঘদিনের।’ চিনের সঙ্গে সংঘাত এই প্রথম নয়। রাজনাথ সেই প্রসঙ্গও ব্যাখ্যা করেন। ২০১৭ সালে ডোকালামে যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল সে কথা স্মরণ করিয়ে দেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। সেবার টানা ৬৯ দিন চিনা সেনা এবং ভারতীয় সেনারা চোখে চোখ রেখে দাঁড়িয়েছিলেন। রাজনাথ বলেন, ‘আমরা সে সময়ে পিছিয়ে আসিনি। একই সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমধানও করেছিলাম।’ প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘ভারত কখনওই চায় না যে, সীমান্তে উত্তেজনা বজায় থাকুক। নয়াদিল্লি সবসময় আশাবাদী কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমেই দ্বিপাক্ষিক সমস্যার সমাধান হবে।’

Related Articles

Back to top button
Close