fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

রামপুরহাটে লকডাউনের বালাই নেই, তীরে এসে তরী ডোবার আশঙ্কা

পার্থ চ্যাটার্জী ,রামপুরহাট : ঈদ এর কেনাকাটা দেখে মনে হচ্ছে যেন রামপুরহাটে লকডাউন উঠে গেল। রাজ্য সরকার কিছু দোকান পাট  বিশেষত কাপড়ের দোকান (শপিং মল বাদে ) ও অন্যান্য কিছু দোকান বাজার খোলার অনুমতি দেয়।

উল্লেখ্য, প্রথম কিছুদিন দোকানে অর্ধেকদরজা খোলা অবস্থায় বেচা-কেনা চলছিল। কিন্তু ঈদ এর মার্কেট ভেবে পুলিশ প্রশাসন একটু ঢিলা দিতেই রামপুরহাটের মেন বাজার দেশবন্ধু রোড যেন ২১, ২২ তারিখ থেকে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে এসেছে। রামপুরহাটে এখন সকাল ৯ টা থেকেই ,মুদিখানা ,মনোহারি ,সোনার দোকান থেকে ফুটপাথ পর্যন্ত সব খুলে গেছে।

মুখ্যমন্ত্রী ফুটপাথ গুলি  যেভাবে জোর বিজোড় নীতিতে খুলতে বলেছিলেন তার কোনো নিয়ম মানা হচ্ছে না। বাজার যেহেতু খোলা ,তাই লোকের ভিড়ে বাজার জ্যাম হতে শুরু করেছে। তার সাথে  টোটো গাড়ি থেকে দুইচাকা, চারচাকা, সব চালু থাকছে। যেখানে সোশ্যাল ডিসটেন্স এর কোন বালাই নেই।

তার সাথে ২৭ মে শহরের বাজার দেখলে যেন মনে হচ্ছে বিজয় দশমীর মতো লকডাউন উঠে যাওবার আনন্দ। বাজারে সোশ্যাল ডিসটেন্স এর বদলে দেখা গেল কোলাহল। যা দেখে শহরবাসী দুঃখ প্রকাশ করে জানালেন যে, এতদিন লকডাউন পালন আমাদের বৃথা গেল। এছাড়া রামপুরহাটে বহু জায়গায় ৬-৭ জন যাত্রী নিয়ে টোটো চালাচ্ছে। পুলিশের চোখের সামনেই এইসব চলছে বলে অনেক শহরবাসী অভিযোগ করেছেন।

রামপুরহাটের  পুরোপিতা অশনি তিওয়ারি বলেছেন, টোটোর বিষয়টি নজরে আনার জন্য পুলিশকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এদিকে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে যে, রাজ্য সরকার পুলিশকে আরও করা হত নির্দেশ দিয়েছে। খুব শীঘ্রই পুলিশ আরও কড়া হাতে এসব মোকাবিলা করবে।

উল্লেখ্য শহরবাসী ও তার আশেপাশে ,অনেকে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, বীরভূমে দিন দিন করোনা রোগীর প্রকোপ বাড়ছে। এখন পুলিশ সক্রিয় না হলে ,অবশেষে তীরে এসে তরী ডুবে যাবে।

Related Articles

Back to top button
Close