fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

সহবাসের পর বিয়েতে ‘না’, ধর্ষণ, খুনের হুমকি, পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ

মিল্টন পাল,মালদা: দীর্ঘদিন ধরে সহবাসের পর বিয়ে করতে অস্বীকার। আর এই নিয়ে প্রতিবাদ করায় যুবতীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষন।ঘটনার পর থেকে পলাতক যুবক। ঘটনাটি ঘটেছে মালদার কালিয়াচক থানার মানিকটোলার দুইশতবিঘি গ্রামে। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে জানিয়েও পুলিশ কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় অসহায় পরিবার পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হয়েছে সুবিচারের আশায়।

প্রতিবেশীর  হওয়ার সুবাদে স্থানীয় যুবক চন্দন মন্ডলের সঙ্গে যুবতির পরিচয় হয়। এরপর থেকে যুবতীর বাড়িতে অবাধ যাতায়াত শুরু হয় চন্দন মন্ডলের। অভিযোগ যুবতীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে নিয়ে যায় ও সহবাস করে। গত কয়েকদিন আগে হঠাৎ চন্দন মন্ডল মেয়েটির পরিবারের সদস্যদের অবর্তমানে জোর করে মুখে কাপড় গুঁজে তুলে নিয়ে যায়। এরপর তাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। সেখান থেকে কোন রকমে পালিয়ে আসে। ঘটনা জানতে পেয়ে ছেলের পরিবারের সদস্যরা যুবতী ও তার পরিবারকে গালিগালাজ প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয় অভিযুক্ত এর পক্ষ থেকে।

ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনকে জানালেও পুলিশ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। আতঙ্কে লুকিয়ে থাকতে হচ্ছে পরিবারকে। ঘটনার পর থেকে পলাতক যুবক। বাধ্য হয়ে এদিন পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হয়েছে পরিবার। ওই যুবতী ও তার পরিবার যুবকের কঠোর শাস্তির দাবি করেছে।

নির্যাতিতা যুবতী জানান,প্রায় প্রতিবেশীর বাড়িতে বিড়ি বাঁধতে যেত। সেখান থেকে চন্দন মন্ডলের সঙ্গে পরিচয় হয়। দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে তাদের মেলামেশা। ঘোরানো নাম করে তার সঙ্গে সহবাস করেন। এরপর বিভিন্ন সময় তার কাছ থেকে এক লক্ষ টাকা নেয়। কিন্তু চন্দন ও তার পরিবার বিয়ে দিতে অস্বীকার করেছে। এমনকি আমাদের পরিবারের সদস্যদের গালিগালাজ ও প্রান নাশের হুমকি দিচ্ছে। কালিয়াচক থানায় অভিযোগ করলেও পুলিশ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। আমি ওই যুবকের কঠোর শাস্তির দাবি জানান।
ওই যুবতীর মা জানান,যে আমার মেয়ের সর্বনাশ করেছে সে যাতে কঠোর শাস্তি পায় যাতে আর কারো সাথে এই ঘটনা না ঘটাতে পারে। কালিয়াচক থানার পুলিশ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়ে পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হয়েছি।
ওই যুবতীর আইনজীবি প্রবীর চৌধুরী জানান,এই জঘন্যতম ঘটনা ঘটলেও পুলিশ কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হয়েছি। যদি এরপরেই ব্যবস্থা না হয় উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হবো।

নারী শিশু কল্যান সমিতির চেয়ারম্যান চৈতালী ঘোষ সরকার বলেন,ঘটনাটি নিন্দনিয় ঘটনা। ঘটনার খোঁজ খবর নিয়ে পুলিশ যাতে ব্যবস্থা নেয় সে বিষয়ে বলবো। ওই যুবতী সুবিচার পায় সে বিষয়ে আমরা ওই যুবতীর পাশে রয়েছি। আমরা পুলিশের সাথে কথা বলবো।
যদিও গোটা বিষয়টি নিয়ে জেলা পুলিশের কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায় নি।

Related Articles

Back to top button
Close