fbpx
কলকাতাহেডলাইন

কল্যাণময়ের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা, আন্দোলন জোরদার হবে: দিপল বিশ্বাস

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পর্ষদ সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানাল বিজেপি শিক্ষা সেলের আহ্বায়ক দিপল বিশ্বাস। শনিবার এক সাক্ষাৎকারে তিনি একথা বলেন। ঘটনার সূত্রপাত ২০০৪ – এ বেহালা হাইস্কুল থেকে পাশ করা এক পড়ুয়ার অ্যাডমিট কার্ডে জন্ম তারিখ সংশোধন ঘিরে। গত বৃহস্পতিবার ২০০৪ এ মাধ্যমিক পাশ করা ওই ছাত্রের জন্মতারিখ সংশোধন নিয়ে আলোচনার জন্য পর্যদের উপসচিব ( প্রশাসন ) পারমিতা রায় বেহালা হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক দেবাশিস বেড়াকে ফোনে নিবেদিতা ভবনে ডেকে পাঠান। আর তাতেই প্রধান শিক্ষকের ওপর চড়াও হয়ে মারমুখি হন পর্ষদ সভাপতি কল্যানময় গঙ্গোপাধ্যায়।

 

ঘটনার তীব্র নিন্দা জনিয়ে বিজেপি শিক্ষা সেলের আহবযক বলেন, ‘দ্রুত তদন্ত করে সত্য উধ্ঘতং করা হোক। পর্ষদ সভাপতি যদি এমন করে থাকেন তবে তার বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। এটা  মানহানির সমান শিক্ষক সমাজের জন্য। হুশিয়ারি দিয়ে দিপল বলেন, ‘ব্যবস্থা গ্রহণ না হলে, আগামীদিনে এই ইস্যু তে রাস্তায় নামব।’

 

এদিন শিক্ষকদের ওপর রাজ্য সরকারের বঞ্চনার প্রতিবাদ রাস্তায় নেমেছিল বিজেপি শিক্ষা সেল। আপার প্রাইমারি প্রার্থীদের ওপর আক্রমণ, ডিএ প্রতারণা ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে সেন্ট্রাল এভিনিউতে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করা হয়। বিভিন্ন জেলা থেকে শিক্ষক সম্প্রদায় এই মিছিলে যোগদান করে। এ প্রসঙ্গে দেবাশিসের দাবি , বৃহস্পতিবার পারমিতার ঘরে এ বিষয়ে আলােচনার মাঝেই সেখানে হাজির হন পর্ষদ সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় । তাঁর অভিযােগ , তিনি কিছু না শুনে অফিসের অন্যান্য কর্মী এবং দেবাশিসের সঙ্গে থাকা আরও এক প্রধান শিক্ষকের সামনে তাঁকে ‘ মহামূখ ’ , ‘ অপদার্থ ‘ ও ‘ অযােগ্য প্রধান শিক্ষক , এক চড় লাগিয়ে ঘাড় ধরে বের করে দেব ’ ইত্যাদি বলেন । এমনকী পর্ষদ সভাপতি একাধিক বার নিজের চেয়ার ছেড়ে হাত উচিয়ে তাঁর দিকে তেড়ে যান বলেও দেবাশিসের অভিযােগ । প্রধান শিক্ষক বলেন , সভাপতির পদমর্যাদার কথা মাথায় রেখে আমি প্রতিবাদ করিনি । পারমিতা ম্যাডামও সভাপতির সঙ্গে সুর মিলিয়ে আমাকে অপমান করেন । তাঁদের আচরণে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়ি।’

 

প্রতিক্রিয়ায়  কল্যাণম বাবু বলেন, ‘ওই ছাত্র এক বছর ধরে নিজের জন্মতারিখ সংশােধনের জন্য স্কুল ওপ্রধান শিক্ষকের কাছে ঘুরে বেড়াচ্ছে । একটা ছেলের জন্মতারিখ সংশােধনে । এতদিন ধরে স্কুল ঘােরাবে কেন ? এজ কারেকশান ফর্মে নির্দিষ্ট জায়গা আছে । সেখানে কারণ লিখে প্রধান শিক্ষক পাঠিয়ে দিতেই পারেন । জন্ম শংসাপত্র ও স্কুলে ভর্তির রেজিস্টার কোথাও তাে ছাত্রের জন্মতারিখ স একটা ভুল হয়ে থাকতেই পারে ! তার দায় প্রধান শিক্ষক নিতে যাচ্ছেন কেন ? ‘

 

Related Articles

Back to top button
Close