fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

রেশন ও মিড ডে মিলে নিম্নমানের ছোলা, সিল করা হল পাঁশকুড়ার কিষাণ মান্ডির সরকারি গোডাউন

ভাস্করব্রত পতি, তমলুক : অভিযোগ লাগাতর আসছিল,  পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন প্রান্তে রেশন গ্রাহকরা ও বিভিন্ন স্কুল থেকে মিড ডে মিলের যে ছোলা দেওয়া হচ্ছে তা অত্যন্ত নিম্নমানের। তাছাড়া সরকারি রেশন দোকান থেকেও খাওয়ার অনুপযুক্ত ছোলা দেওয়া হচ্ছে। পোকায় খাওয়া সহ শেওলা ভরা কালো আস্তরণ পড়ে যাওয়া ছোলা বিলি করার অভিযোগ ছিল। যা মানুষের খাওয়ার উপযুক্ত নয় একদমই। এই অভিযোগ পাওয়ার পরেই পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা পরিষদের খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ সিরাজ খান সরেজমিনে  তদন্ত করতে মেছেদার সরকারি একটি রেশন দোকানের ডিলারের কাছে যান। সেখানে তিনি গিয়ে দেখেন যে ছোলা দেওয়া হচ্ছে তা অতি নিম্নমানের।

রেশন ডিলার বলেন, এই ছোলা এম আর ডিলারের কাছ থেকে তাঁরা পেয়েছেন। তাই তাঁরা এই খারাপ ছোলা গ্রাহকদের দিতে বাধ্য হচ্ছেন। সিরাজ খাঁন এম আর ডিলারদের ফোনে জানার চেষ্টা করেন এই নিম্নমানের ছোলা কোথা থেকে নিয়ে সরবরাহ করছেন। এম আর ডিলার জানান যে, এই ছোলা তাঁরা পূর্ব মেদিনীপুর জেলার  পাঁশকুড়ার কিষাণ মান্ডির মূল গোডাউন থেকে পাচ্ছেন। খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ সিরাজ খাঁন তৎক্ষণাৎ নিজে ও পুলিশ ও প্রশাসন এর আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে পাঁশকুড়ার সরকারি কিষাণ মান্ডিতে  ছোলার গোডাউনে যান এবং সেখানে গিয়ে দেখেন সেখানেও ছোলার একই রকম অবস্থা।

আরও পড়ুন: পুজোর উপহার নিয়ে দুঃস্থ মহিলাদের পাশে ‘আস্থা’

সিরাজ খান  পুলিশ ও জেলা খাদ্য দফতরের ইন্সপেক্টরের সামনেই ওই গোডাউন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনও সদুত্তর না পেয়ে গোডাউনটি তালা মেরে সিল করে দেন। তিনি বলেন, পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় এই নিম্নমানের ছোলা গ্রাহকদের দেওয়া যাবেনা। নতুন ভাবে ভালো মানের ছোলা দেওয়ার ব্যাবস্থা করতে হবে। এভাবে মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা যাবে না। এই নিম্ন মানের ছোলা পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মিড ডে মিল বাবদ প্রতিটি স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদেরও দেওয়া হচ্ছে। যা নিয়ে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অভিযোগ এবং অশান্তির খবর আসছে দিনের পর দিন। এরপরই পুরো বিষয়টি সিরাজ খাঁন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার জেলাশাসক পার্থ ঘোষ, জেলা পরিষদের সভাধিপতি দেবব্রত দাস এবং পাঁশকুড়ার সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক ধেনদুপ ভুটিয়াকে জানিয়েছেন।

 

 

 

 

 

Related Articles

Back to top button
Close