fbpx
দেশহেডলাইন

রেলের বদ্ধ ঘর থেকে ৩ হাজারেরও বেশি হিন্দি উপন্যাস পুনরুদ্ধার

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: রেলের বদ্ধ ঘর থেকে ৩ হাজারেরও বেশি হিন্দি উপন্যাস পুনরুদ্ধার করল এক তামিম অফিসার। জানা গিয়েছে, উপন্যাসগুলি স্বাধীনতার আগে ও পরে- উভয় সময়েরই লেখকদের লেখা রয়েছে তাতে। যেমন, ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদের লেখা গান্ধীজি কি দান, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা উজরা ঘর ও ডাকঘর, আচার্য চতুরসেনের দেবাঙ্গনা, মুন্সি প্রেমচাঁদের গোড়ান- এইসব রেলকর্মীদের জন্য কেনা হয়েছিল।

উত্তরপ্রদেশের রাজধানী থেকে ২০০ কিমি দূরে এক রেল অফিসারের পদে নিযুক্ত রয়েছেন তামিলনাড়ুর এক তরুণ তুর্কি। রেল দফতরে কাজ করতে গিয়ে তিনি ৩০০০-র বেশি হিন্দি উপন্যাস পুনরুদ্ধার করেছেন। অহিন্দিভাষী হয়েও রেলের হিন্দিভাষী রেলকর্মীদের জন্য ওই হিন্দিতে লেখা উপন্যাসগুলি পুনরুদ্ধার করার কাজে মনোনিবেশ করেছেন তিনি।

২০১৯ সালের অগস্টে, দেশের অন্যতম ব্যস্ততম ট্রেন ট্রাফিক রুট কন্ট্রোল সেন্টার টুন্ডলা জংশন (ফিরোজাবাদ জেলা) যোগ দিয়েছেন ভারতীয় রেলওয়ে ট্রাফিক সার্ভিস অপিসার সঞ্জয় কুমার। একদিন এক বদ্ধ ঘরের মেঝের উপর সারি সারি বাই পড়ে থাকতে দেখেন। ধুলোয় চাপা পড়ে বইগুলির অবস্থা বেশ শোচনীয়। পোকায় অর্ধেক করে দিলেও বইগুলোর গুরত্ব বুঝতে এতটুকু সময় লাগেনি।

৩৪ বছরের ওই অফিসার জানিয়েছেন, ‘স্কুলে পড়ার সময় হিন্দি ছিল আমার দ্বিতীয় ভাষা। তামিলনাড়ুর ইরোদের কলেজে পড়ার সময়ও হিন্দি ছাড়িনি । সেখানেও ছিল দ্বিতীয় ভাষা। ছোট থেকে নষ্ট হয়ে যাওয়া বই পুনরুদ্ধার করার একটা স্বাভাবিক ঝোঁক ছিলই। এই লকডাউনে সেটা আমার কাছে একেবারে সুবর্ণসুযোগ হয়ে যায়। রেলওয়ের ওই বদ্ধ ঘর থেকে আমি অনেক পুরনো দিনের বইগুলিকে উদ্ধার করি। তবে এই কাজে আমাকে সাহায্য করেছেন রেলওয়ের কর্মীরা। কৃতজ্ঞতা জানাতেই হয় স্টেশন মাস্টার সঞ্জীব কুমার, অঙ্কার সিং ও হরবীর সিং এবং ট্রাফিক ইন্সপেক্টর বিপিন তোমর। এঁরা সকলেই হিন্দিভাষী। আমরা সকলে মিলেই ৩০০০-এরও বেশি হিন্দি বইয়র প্রাণ ফিরিয়েছি।’ প্রসঙ্গত, সঞ্জয় কুমারের বাবা তামিল ও মা কন্নরভাষী।

Related Articles

Back to top button
Close