fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

আমফানে বিধ্বস্ত খেজুরির খটিতে ত্রাণ অপ্রতুল

ভাস্করব্রত পতি, তমলুক : আমফান কেটে গেলেও এখনও দুরবস্থা কাটেনি খেজুরির মৎস্যখটি এলাকার মানুষজনের। এখনও আসেনি বিদ্যুৎ। পুকুরের জলে পড়ে আছে ভাঙ্গা গাছ। পাতা পচে পুকুরের জল বিষিয়েছে। মরছে মাছ। এখনও প্রায় অভুক্ত থাকতে হচ্ছে এই এলাকার মৎস্যজীবী গরিব মানুষগুলোকে। সরকারি ত্রান এখনও অপ্রতুল।

 

 

সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে ‘মেদিনীপুর ছাত্রসমাজ’ পূর্ব মেদিনীপুর জেলার খেজুরির আরকবাড়ি, খেজুরী, বিদ্যাপীঠ, থানাবেড়া, কাউখালী, ওয়াশীলচক, পাঁচুরিয়া সহ রামনগরের দক্ষিণ পুরুষোত্তমপুর, নন্দীগ্রামের পূর্বচড়া, কাঁথির বগুড়ান জলপাই ইত্যাদি এলাকার খটিগুলোতে ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী সহ সর্বমোট ১৫০ জনকে ত্রিপল বিতরণ করে। কিন্তু পারিপার্শ্বিক অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। চারিদিকে লণ্ডভণ্ড অবস্থা। মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়েছে তাঁদের।

 

 

উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণবঙ্গ মৎস্যজীবী ফোরামের সহ সম্পাদক ও সমাজকর্মী ঝর্ণা আচার্য্য, মেদিনীপুর ছাত্রসমাজের সভাপতি কৃষ্ণগোপাল চক্রবর্তী, কোষাধ্যক্ষ কৌশিক কঁচ, আঞ্চলিক ইতিহাস গবেষক ও শিক্ষক সুদর্শন সেন, শান্তনু মন্ডল প্রমুখ।

 

 

পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় আমফান ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত দুর্গতদের ত্রিপল বিতরণ এবং সেই সাথে সবুজায়নের লক্ষ্যে ও আগামীর জন্য উপযুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে চারাগাছ বিতরণ করাতেই জোর দিয়েছে মেদিনীপুর ছাত্রসমাজ ও দক্ষিণবঙ্গ মৎস্যজীবী ফোরাম। তাঁদের দাবি আমফান ঝড়ঝঞ্ঝাতে পরিবেশের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তাতে শুধু সরকারি ত্রানসামগ্রী বিলি করে নয়, পরিবেশকেও নতুন করে গড়তে হবে। প্রচুর গাছপালা নষ্ট হয়েছে। পুনরায় প্রচুর সবুজায়ন প্রয়োজন।

Related Articles

Back to top button
Close