fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

শুধু জনসমর্থনের উপর নির্ভর হয়, বুথ স্তরে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে হবে: বিধায়ক আশীষ কুমার বিশ্বাস

শ্যামলকান্তি বিশ্বাস, কৃষ্ণনগর: শাসক তৃণমূলের সীমাহীন অত্যাচারে বাংলার জনগণ বীতশ্রদ্ধ। রাজ্যের শাসনভার পরিচালনার জন্য রাজনৈতিক পটভূমির পরিবর্তনের মাধ্যমে জনমনে নির্ভেজাল একটি নতুন সরকারের প্রত্যাশা জাগছে। বিজেপির প্রতি রাজ্যের বিরাট অংশের মানুষের সমর্থন আছে ঠিকই কিন্তু তাই বলে আত্মতুষ্টিতে ভুগলে চলবে না। সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে হবে, জেলা তথা মন্ডলস্তরে কার্জকর্তাদের দলের নিচুতলার কর্মীদের সঙ্গে আরও সময় দিতে হবে। জনসংযোগ বৃদ্ধি সহ বুথস্তরে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে হবে, বিশেষ করে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায়, সংগঠন বিস্তারে দল এখনও অনেক পিছিয়ে আছে।

সেই সমস্ত এলাকা চিহ্নিতকরণ করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। কথা হচ্ছিল কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক আশীষ কুমার বিশ্বাসের সঙ্গে, তিনি আরও জানালেন, রাজ্যে শাসক তৃনমূলের প্রধান প্রতিপক্ষ এই মুহূর্তে একমাত্র বিজেপি কারণ। এ রাজ্যে বর্তমানে কংগ্রেস কিংবা বামফ্রন্ট অপ্রাসঙ্গিক এবং ওই দল দুটির উপর রাজ্যের মানুষ কোনও ভরসা রাখতে পারছেন না। বাংলার মানুষ তৃণমূলের অপশাসন থেকে মুক্তি চাইছে এবং বিকল্প হিসাবে বিজেপিকেই পছন্দ। এমতাবস্থায় রাজ্যের মানুষের ইচ্ছার পূর্ণ মর্যাদা দিতে হবে, এই ভাবেই দলীয় কর্মীদের প্রতি আহ্বান রেখে, শাসক তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন আশীষবাবু।

আরও পড়ুন: আমিই কিন্তু জিতব, আগামী সপ্তাহেই চমক দেখবে আমেরিকা, দাবি ট্রাম্পের

দীর্ঘক্ষণ আশীষবাবুর সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে উঠে এল রাজনীতির নানা প্রেক্ষাপট, প্রাক্তন বায়ুসেনা কর্মী, ফলে অত্যন্ত শৃঙ্খলাপরায়ণ, জন সচেতনশীল, ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন সু-নাগরিক বিধায়ক আশীষবাবু। নানা প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে এলাকার সংগঠন বিস্তারে আশীষবাবুর জুড়ি মেলা ভার। এলাকার সকলের অত্যন্ত কাজের এবং প্রিয় হয়ে উঠেছেন বিধায়ক আশীষ কুমার বিশ্বাস। বিহারের অভাবনীয় ফলাফলে, দলের কর্মী সমর্থকেরা মিষ্টিমুখ করার দাবি নিয়ে বিধায়ক আশীষ বাবুর বাড়িতে আসেন।

Related Articles

Back to top button
Close