fbpx
গুরুত্বপূর্ণবাংলাদেশহেডলাইন

স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে জন্মাষ্টমী পালন বাংলাদেশের হিন্দু মহাজোটের 

যুগশঙ্খ প্রতিবেদন, ঢাকা: যথাযথ ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে জন্মাষ্টমী পালন করছেন বাংলাদেশের সনাতন ধর্মালম্বীরা। শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মতিথি উপলক্ষে মঙ্গলবার প্রতিবেশি দেশের মন্দিরে মন্দিরে হয়েছে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পূজা-অর্চনা। প্রতিবছর শোভাযাত্রা হয়ে থাকলেও করোনা সংক্রমণ রোধে এবার সেটি হয়নি।

বিভিন্ন দল-সংগঠনের সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট ভগবান শ্রী কৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে স্বল্প পরিসরে কৃষ্ণ পুজা, গীতা পাঠ, যজ্ঞানুষ্ঠান, শোভাযাত্রা, গীতা বিতরণ ও প্রসাদ বিতরন কর্মসূচী পালন করে।

জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সবচেয়ে বড় আয়োজন ছিল সব থেকে প্রাচীন ঢাকার রামকৃষ্ণ মঠ এবং রামকৃষ্ণ মিশনে। এখানে সকাল থেকে পূজা পাঠের মাধ্যমে জন্মাষ্টমী উদযাপিত হয়েছে। রামকৃষ্ণ মঠে রাত ৯টায়কৃষ্ণ পূজার মাধ্যমে জন্মাষ্টমী শেষ হয়।

রামকৃষ্ণ মঠ এবং রামকৃষ্ণ মিশনের অধ্যক্ষ ও সম্পাদক স্বামী পূর্ণাতমানন্দজী মহারাজ জানান,‘করোনা দুর্যোগে আজকে পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর। আমার মনে হয় না, স্মরণকালে এরকম পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে মানুষকে যেতে হয়েছে। এতে সারাবিশ্ব এফেক্টেড হয়ে গিয়েছে। এজন্য সবার প্রতি আমাদের মানবিক আচরণ করতে হবে। সবার ভাবের প্রতি, মতের প্রতি, সম্প্রদায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।’

স্বামী পূর্ণাতমানন্দজী মহারাজ বলেন, ‘কমপক্ষে পাঁচ হাজার বছর আগে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব হয়েছে। তারপর থেকে তার বাণী, আদর্শ, ভাব সনাতন ধর্মে অত্যন্ত জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। এই পাঁচ হাজার বছর ধরেই তিনি আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ অবতার বলে নন্দিত হয়েছেন।’

জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত নানা অনুষ্ঠান সম্পর্কে হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক বলেন, ভগবান শ্রী কৃষ্ণ হল সংগ্রামের প্রতীক। আমরা সব সময় সংগ্রাম চাই। এই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে হিন্দু সমাজ, হিন্দু জাতি, হিন্দু ধর্ম, কৃষ্টি-কালচার রক্ষা করতে চাই।

Related Articles

Back to top button
Close