fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বাড়ছে করোনার প্রকোপ রেল শহর চিত্তরঞ্জনে ঢোকার ক্ষেত্রে কড়া বিধিনিষেধ

শুভেন্দু বন্দোপাধ্যায়, আসানসোল:  বলতে গেলে প্রায় প্রতিদিনই আসানসোলের রেল শহর চিত্তরঞ্জনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে চলেছে । বুধবার ও বৃহস্পতিবার রেল শহরে নতুন করে আরো ৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এই নিয়ে গত ৪ দিনে ১৫ জন করোনায় আক্রান্ত হলেন। তাই এবার করোনার সংক্রমণ আটকাতে চিত্তরঞ্জন রেল ইঞ্জিন কারখানা কর্তৃপক্ষ একাধিক নির্দেশ জারি করেছে সংরক্ষিত রেল শহরে ঢোকার ক্ষেত্রে । প্রথমতঃ নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনরকম পারমিট ছাড়া শহরে কোন গাড়ি ঢুকতে পারবে না। আর যারা প্রয়োজনে অনুমতি নিয়ে শহরের ভেতরে ঢুকবেন তাদেরকে অবশ্যই মুখে মাস্ক ও মাথায় হেলমেট পড়তে হবে। তাদেরকে থার্মাল স্কিনিং করে ভেতরে ঢুকতে হবে। শহরে ঢোকা ও বেরোনোর গেটে কড়া চেকিং চালাচ্ছে মোতায়েন থাকা আরপিএফ। শুধু তাই নয়, শহরে বাইরে থেকে যেসব বেসরকারি বাস, মিনিবাস ঢোকে তার সমস্ত যাত্রী ও বাসকর্মীদেরও শহরে ঢোকার আগে গেটে থার্মাল স্কিনিং করতে হবে ।

চিত্তরঞ্জন রেল শহরে ঢোকার প্রধান দুটি জায়গা ১ নং ও ৩ নং গেট। বৃহস্পতিবার লক ডাউনের একবারে সকাল থেকেই দেখা গেলো হেলমেট পড়া মাস্ক না পড়া থাকলে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি বাইকের পেছনে মহিলা বা শিশু থাকলেও তাদেরকেও মাস্ক ও হেলমেট না থাকলে আটকে দিচ্ছে আরপিএফ।

আরও পড়ুন: লকডাউনে পুলিশের মানবিক মুখ দেখলো ভাতারবাসী

চিত্তরঞ্জন রেল ইঞ্জিন কারখানার জনসংযোগ আধিকারিক মন্তার সিং এই প্রসঙ্গে বলেন, সম্প্রতি করোনার সংক্রমণ অনেকটা বাড়ছে। তা সত্ত্বেও মানুষেরা সতর্ক হচ্ছেন না। সেই জন্য যতটা সম্ভব রেল শহরে ঢোকার গেট গুলিতে যাতায়াতকারীদের নিয়মবিধি মানানোর চেষ্টা চলছে।
লতবে চিত্তরঞ্জনের সিমজুরির ভাইস ওয়ার্ডেন উমেশ মন্ডল এদিন বলেন, রেলের পারমিট ছাড়া যদি ঢুকতে না দেওয়া হয় তাহলে শহরে যারা দুধ বা সবজি বিক্রি করতে বাইরে থেকে আসেন বা ব্যাংকের যেসব মানুষেরা পার্শ্ববর্তী রুপনারায়নপুর ও মিহিজাম এলাকা থেকে আসেন তারা সমস্যায় পড়বেন। তেমনিই বহু গাড়ি আছে যাতে কারখানা বা স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মাল নিয়ে আসে৷ সেক্ষেত্রেও বড় সমস্যা হবে বলে বুঝতে পেরে বিষয়টা সহকারি ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজারকে জানিয়েছি।

Related Articles

Back to top button
Close