fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গশিক্ষা-কর্মজীবনহেডলাইন

চিকিৎসক হয়ে দিনহাটার মুখ উজ্জ্বল করতে চায় মাধ্যমিকে সপ্তম স্থানাধিকারী ঋতম বর্মন

নিজস্ব প্রতিনিধি, দিনহাটা: মাধ্যমিকে ফল প্রকাশিত হতেই রাজ্যে সপ্তম স্থান অধিকার করল দিনহাটার গোপালনগর হাই স্কুলের ঋতম বর্মন। বুধবার ফল প্রকাশিত হতেই দিনহাটা শহরের তিন নম্বর ওয়ার্ডের মদনমোহন বাড়ি বাইপাস এলাকায় কৃতী ছাত্রের বাড়িতে গিয়ে তাকে শুভেচ্ছা জানান অনেকেই। ভবিষ্যতে চিকিৎসক হতে চায় ঋতম। অসহায় মানুষকে চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়াই তার লক্ষ্য। দিনহাটার এই কৃতী ছাত্র ঋতমের সাফল্যের খবর প্রকাশিত হতেই দিনহাটা পুরসভার প্রশাসক বিধায়ক উদয়ন গুহ তার বাড়িতে গিয়ে কৃতী ছাত্রকে সংবর্ধনা দেন। উচ্চশিক্ষায় কোনভাবেই যাতে তার কোনও অসুবিধে না হয় তার জন্য তিনি সব রকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

আরও পড়ুন:মাধ্যমিকে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানাধিকারী পূর্ব বর্ধমানের দুই কৃতী অরিত্র পাল ও অভীক দাস

ঋতমের প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬। বিভিন্ন বিষয়ে তার নম্বর বাংলায় ৯৯, ইংরেজি ৯৯ , অংক ১০০ , ভৌত বিজ্ঞান ৯৯ , জীবন বিজ্ঞান ৯৬ , ইতিহাস ৯৬ এবং ভূগোলে ৯৭ । দিনহাটা গোপালনগর এম এস হাই স্কুলের ছাত্র ঝতম। বাবা দিলীপ বর্মন জড়াবাড়ি হাই স্কুলের পার্শ্বশিক্ষক। মা কৃষ্ণা বর্মন কার্যী স্বাস্থ্য দফতরের কর্মী। খুশি বাবা-মা ও পরিবারের প্রতিবেশীদের সকলেই।
পড়াশোনার পাশাপাশি ঋতম গল্পের বই পড়তে যেমন ভালোবাসে তেমনি পড়ার অবসরে গানও তার প্রিয়। এছাড়াও মায়ের সঙ্গে রান্না করতেও বেশ ভালোবাসে। চিকেন তার প্রিয় খাদ্য। মা কিংবা ঠাকুমা রান্না শুরু করলেই পড়াশোনার ফাঁকে সে তাদের পাশে গিয়ে কিভাবে রান্না করা যায় সেটাও সে নানাভাবে রপ্ত করে বলেও জানান মা কৃষ্ণা বর্মন কার্যী ও ঠাকুমা ভবান্তি বর্মন। ছোটবেলা থেকেই শান্ত স্বভাবের ঋতম ভবিষ্যতে বড় চিকিৎসক হয়ে দিনহাটার মুখ উজ্জ্বল করতে চান।

সারাদিনে ৯ থেকে ১০ ঘন্টা সে পড়াশোনা করে। এছাড়াও তার এই সাফল্যের জন্য বাবা ও মায়ের পাশাপাশি স্কুলের শিক্ষকরা ও নানাভাবে সহযোগিতা করেছেন। ৯ জন গৃহশিক্ষকের কাছে এসে বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনা করত। রহস্য গল্প থেকে শুরু করে গোয়েন্দা গল্প তার বিশেষ পছন্দ।

এদিন ফল প্রকাশের পরে ঋতম স্কুলের শিক্ষকদের আক্কাস আলি, সত্যজিৎ কার্যী থেকে শুরু করে অনেকেই তাদের বাড়িতে গিয়ে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি মিষ্টিমুখ করান। দিনহাটা স্টেশন রোড়ের গৃহশিক্ষক সিদ্ধেশ্বর সাহা ঋতমের এই সাফল্যে তাকে শুভেচ্ছা জানান।

আরও পড়ুন:যুবসমাজের একমাত্র হাতিয়ার হতে পারে দক্ষতা উন্নয়ন ,বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

ঋতম বলেন, স্কুলের শিক্ষকদের পাশাপাশি গৃহশিক্ষক রাও তাকে নানাভাবে সহযোগিতা করেছেন। এছাড়াও তার ছোটবেলার স্কুল সারদা শিশু তীর্থের শিক্ষকরাও তাকে নানাভাবে উৎসাহিত করেছে।

কৃতী ছাত্রের বাবা দিলীপ কুমার বর্মন, মা কৃষ্ণ বর্মন কার্যী বলেন খুব ভালো লাগছে। ও ভাল রেজাল্ট করবে এটা তারা আগেই বুঝতে পেরেছিল। পড়াশোনার পাশাপাশি গান-বাজনা করতেও বেশ ভালোবাসে। এছাড়াও অবসর সময়ে গল্পের বই যেমন পড়তে ভালোবাসে তেমনি ছবি আঁকতে পছন্দ করে। বড় হয়ে চিকিৎসক হতে চায় বলেও বাবা ও মা জানান। পাশাপাশি তারা বলেন, কর্মসূত্রে তারা সকালে বাইরে বেরিয়ে গেলে বাড়িতে ঠাকুমা ও দাদু তার সারাদিনের সঙ্গী।

Related Articles

Back to top button
Close