fbpx
দেশহেডলাইন

গলছে বরফ! রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চাইলেন শচীন পাইলট

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: মরুরাজ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা পারদ বেশ কিছু দিন ধরে উর্দ্ধমুখী… এবার রাজস্থানের রাজনীতিতে নাটকীয় মোড়। গলছে বরফ! রাজস্থান বিধানসভার বিশেষ অধিবেশনের চারদিন আগে কংগ্রেসের অন্দরের বিবাদ মিটে যাওয়ার ইঙ্গিত মিলল। কংগ্রেস সূত্রের দাবি, রাজস্থানের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী তথা প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শচীন পাইলট  নাকি দলে ফেরার জন্য কংগ্রেসের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। রাজস্থানের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী নিজে দেখা করতে চান রাহুল গান্ধীর সঙ্গে। যদিও পাইলট শিবির এই দাবির সত্যতা স্বীকার করেনি।

আজ থেকে ঠিক মাসখানেক আগে মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের  বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করে ১৮ জন অনুগামীকে নিয়ে দিল্লি চলে যান শচীন পাইলট। তারপর তাঁকে দলে ফেরানোর বহু চেষ্টা সত্বেও কাজ হয়নি। যত দিন গিয়েছে পাইলট বনাম গেহলটের এই লড়াই নতুন নতুন মাত্রা পেয়েছে। পাইলটের অভিযোগ, রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করছেন। গেহলটকে না সরানো পর্যন্ত তাঁর পক্ষে দলে ফেরা সম্ভব নয়। গেহলটের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে গেলেও দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে এতদিন টু শব্দটি করেননি তরুণ কংগ্রেস নেতা। বরং কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রেখে চলেছেন তিনি। এরই মধ্যে একবার গোপনে দিল্লির আশেপাশে কোথাও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর  সঙ্গেও বৈঠক হয়েছে তাঁর, এমনটাই দাবি কংগ্রেস সূত্রের। প্রিয়াঙ্কার সুত্র ধরেই নাকি এবার রাহুলের সঙ্গে দেখা করতে চান শচীন। আসলে এই তরুণ নেতা দলে নিজের ভবিষ্যৎ স্পষ্ট করে নিতে চান। যদিও, এসবই প্রকাশ্যে অস্বীকার করছে পাইলট শিবির।

পাইলট যখন দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন, জয়পুরে বসে গেহলট তখন অন্য ছক কষছেন। গেহলট শিবিরের বিধায়করা ইতিমধ্যেই দাবি তুলছেন, যারা দলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হোক। তাঁদের দল থেকে বিতাড়িত করা হোক। এসবের মধ্যে আবার পাইলট শিবিরের জনা ছ’য়েক বিধায়ক নাকি গেহলটের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছেন। অর্থাৎ সার্বিকভাবে পাইলটের কংগ্রেস শিবিরে ফিরে আসার সম্ভাবনা দিন দিন উজ্বল হচ্ছে।

আরও পড়ুন: আমিও অনেকবার বর্ণ বৈষম্যের শিকার হয়েছি, বিস্ফোরক অভিযোগ পি চিদাম্বরমের

একটি সূত্রে জানা যায়, অশোক গেহলোট বিধায়কদের বলেছেন, অনেক সময় গণতন্ত্রকে বাঁচানোর জন্য ‘দিল পর পাত্থর রাখনা পড়তা হ্যায়’। মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শ, আপাতত বিধানসভার অধিবেশনের ওপরেই বিধায়কদের পূর্ণ মনোযোগ দিতে হবে। অধিবেশন শুরু হচ্ছে ১৪ অগাস্ট। রবিবার অশোক গেহলোট সাংবাদিকদের বলেন, তাঁর আশা বিদ্রোহী ১৯ জন বিধায়কের সংখ্যাগরিষ্ঠই ফের কংগ্রেসে ফিরে আসবেন। কারণ তাঁরা বুঝেছেন, মানুষ তাঁদের ওপরে অসন্তুষ্ট।  আসন্ন বিধানসভা অধিবেশনে সম্ভবত আস্থাভোট চাইবেন মুখ্যমন্ত্রী। ২০০ সদস্যের রাজস্থান বিধানসভায় গরিষ্ঠতা পেতে হলে চাই ১০১ টি আসন। কংগ্রেসের বিধায়কের সংখ্যা এর চেয়ে সামান্য বেশি। বিজেপির বিধায়কের সংখ্যা ৭২। এছাড়া কয়েকটি ছোট দল ও নির্দল বিধায়ক মিলিয়ে বিধানসভায় বিরোধীদের পক্ষে আছেন ৯৭ জন। এছাড়া আছেন ১৯ জন বিদ্রোহী বিধায়ক।

 

Related Articles

Back to top button
Close