fbpx
আন্তর্জাতিকগুরুত্বপূর্ণবাংলাদেশহেডলাইন

সৌমিত্রের মৃত্যুতে বেদনার সুর বেজেছে বাংলাদেশেও, শোকপ্রকাশ হাসিনারও 

যুগশঙ্খ প্রতিবেদন, ঢাকা: জনপ্রিয় অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে বেদনার সুর বিষাদের বাঁশি হয়ে বেজেছে বাংলাদেশেও। ওপার বাংলাতেও তুমুল জনপ্রিয় ছিলেন সৌমিত্র। বেশ কয়েকবার সেখানে গিয়েছেনও। কখনো অভিনেতা হয়ে, কখনো কবি-আবৃত্তিকার হয়ে। বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতিকে আজীবন ভালোবেসেছেন সৌমিত্র। বাংলাদেশ ও দেশটির মানুষকে ভেবেছেন সজ্জন।

বাংলাদেশ নিয়ে সৌমিত্রের বিশেষ দুর্বলতা ছিলো। তার কারণ সেখানেই তার পিতৃভিটা। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারের আদি বাড়ি ছিল বাংলাদেশের শিলাইদহে। সেখানকার ‘কয়া’ নামের একটি গ্রামে বাস করতো সৌমিত্রের পরিবার। তার পিতামহের আমল থেকে চট্টোপাধ্যায় পরিবারের সদস্যরা নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগরে চলে যান। এ যাত্রার উদ্দেশ্য ব্যবসা-বাণিজ্য।

সৌমিত্রের বাবা ছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের উকিল। প্রতি সপ্তাহান্তে বাড়ি আসতেন। এ আসা যাওয়া অনেক ভোগান্তির ছিলো। তাই তিনি পরিবার নিয়ে কলকাতায় পাড়ি দেন। তারপর থেকে কলকাতারই বাসিন্দা সৌমিত্র।

এ কারণে এই কিংবদন্তির মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমেছে ওপার বাংলাদেশও। শোক প্রকাশ করছেন নানা অঙ্গনের খ্যাতিমান ব্যক্তিত্বরা। প্রিয় অভিনেতাকে হারিয়ে ব্যথার সাগরে ভাসছেন সৌমিত্রের ভক্তরা। শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রবিবার এক বার্তায় তিনি এ শোক প্রকাশ করেন।

শোকবার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, প্রতিভাবান এই শিল্পীর মৃত্যুতে অভিনয় জগতে এক বিশাল শূন্যতার সৃষ্টি হলো। তিনি আরও বলেন, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় তার সৃষ্টিশীল কর্মের মধ্য দিয়ে মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সৌমিত্রের আত্মার শান্তি কামনা করেন ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

উল্লেখ্য, দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় রোববার স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে কলকাতায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

Related Articles

Back to top button
Close