fbpx
কলকাতাদেশহেডলাইন

নির্মলা সীতারমণকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জের, সৌগতর ক্ষমতা চাওয়ার দাবি বিজেপির

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: সংসদের বাদল অধিবেশনের প্রথম দিনেই কিছুটা হলে ধাক্কা খেলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষিয়ান সাংসদ সৌগত রায়। ব্যাঙ্কিং রেগুলেশন সংশোধনী বিলের ওপর বলতে ওঠেন তিনি। তারপরই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের উদ্দেশ্যে একটি ব্যক্তিগত মন্তব্য করেন। যা নিয়ে সঙ্গে সঙ্গে হৈচৈ শুরু করে দেন বিজেপি সাংসদরর। তবে নিজের মন্তব্য অনড় রয়েছেন তিনি। তিনি জানিয়েছেন তিনি এমন কোনও কাজ করেননি যা অগণতান্ত্রিক।

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ সম্পর্কে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় -এর একটি বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে উত্তাল হয়ে উঠল লোকসভা কক্ষ। তৃণমূল সাংসদকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি করতে থাকেন বিজেপি সাংসদরা। এর ফলে স্পিকার ওম বিড়লা নির্দেশ দেন, লোকসভার কার্যবিবরণী থেকে এই মন্তব্য বাদ দিতে হবে।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশি দাবি করেছেন, সৌগত রায়কে ক্ষমা চাইতে হবে। এদিন লোকসভায় সৌগত রায় যা বলেন, তার মূল কথা হল, দেশের বর্তমান আর্থিক পরিস্থিতিতে নির্মলা উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে কয়েকজন এমপি এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন। তাঁরা বলেন, সৌগতবাবু মহিলাদের অপমান করেছেন। স্পিকার ওম বিড়লা নির্দেশ দেন, লোকসভার কার্যবিবরণী থেকে এই মন্তব্য বাদ দিতে হবে। সৌগত রায় বলেন, তিনি অসংসদীয় কোনও মন্তব্য করেননি।

অন্যদিকে বিলের স্বপক্ষে মন্তব্য করতে উঠে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ বলেন, ‘অন্য বিষয়ে মন্তব্য না করে সৌগত রায় যদি এই বিষয়ক কথাগুলি শুনতেন তাহলে অনেক বেশি ভাল হত।’ পরে এপ্রসঙ্গে সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ও বিজেপি সাংসদ প্রল্লাদ যোশী বলেন, ‘একজন বর্ষীয়ন সাংসদ হওয়ার পরেও তিনি কী করে এই ধরনের মন্তব্য করতে পারেন? এই মন্তব্যে পুরো নারী সমাজকে অপমান করা হয়েছে। অবিলম্বে উনি ক্ষমা চান।’

আরও পড়ুন: যাঁরা বিশ্বাস করেন করোনা চলে গিয়েছে তাঁদের ভাবা প্রয়োজন: ধনকর

সোমবার সকালেই লোকসভায় একটি প্রস্তাব পাশ করানো হয়। তাতে বলা হয়েছে, এবার প্রশ্নোত্তর পর্ব থাকবে না। বিষয়টি নিয়ে আগেই সরব হয়েছিলেন বিরোধীরা। তাঁদের বক্তব্য ছিল, সংসদে সরকারকে প্রশ্ন করার অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। এদিন লোকসভায় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী বলেন, সরকার প্রশ্ন করাকে ভয় পায় না। মন্ত্রীর কথায়, ‘এখন একটা অস্বাভাবিক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। কোনও রাজ্যের বিধানসভা একদিনের জন্যও বসতে পারেনি। আমরা সেখানে ৮০০-৮৫০ জন এমপিকে নিয়ে অধিবেশন করছি। সরকারকে প্রশ্ন করার আরও নানা উপায় আছে। সরকার প্রশ্নকে ভয় পাচ্ছে না।’ অধিবেশন শুরুর আগে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী চিনের সঙ্গে সীমান্ত বিরোধের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘আশা করি সংসদের সদস্যরা ঐক্যবদ্ধভাবে বার্তা দেবেন, পুরো জাতি সৈনিকদের পাশে আছে।’ প্রতিবার সংসদের অধিবেশন বসার আগে একটি সর্বদলীয় বৈঠক হয়।

 

 

 

Related Articles

Back to top button
Close