fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

‘গণতন্ত্র বাঁচাও’ অভিযানে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে  অবস্থান বিক্ষোভের ডাক দিলীপের

শরণানন্দ দাস, কলকাতা: রাজ্যে হিংসা, রাজনৈতিক সন্ত্রাসে বিপন্ন গণতন্ত্র। গণতন্ত্র ফেরানোর দাবিতে আগামী ৪ তারিখ গণতন্ত্র বাঁচাও অভিযানে করবে বিজেপি। এই কর্মসূচি উপলক্ষে গান্ধী মূর্তির নিচে অবস্থান বিক্ষোভ দেখাবে রাজ্য বিজেপি। একইসঙ্গে জেলায় জেলায এসডিও অফিসের সামনে ধরনা বিক্ষোভ হবে। মঙ্গলবার নিউটাউনের বাসভবনে সাংবাদিক বৈঠকে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

তিনি বলেন, ‘ পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে যে হিংসার ব্যাপকতা, পঞ্চায়েত স্তরে যে ধরনের দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়েছে তার প্রতিবাদে আমাদের এই অভিযান। আমাদের ১০০ জনের বেশি কর্মী, নেতা রাজনৈতিক হিংসার বলি হয়েছেন। যার মধ্যে হেমতাবাদের বিধায়কও রয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গে যেভাবে গণতন্ত্রের টুঁটি চেপে ধরা হচ্ছে, তার প্রতিবাদ করা আমাদের দায়িত্ব মনে করি। তাই সবাই মিলে রাস্তায় নামবো আমরা।’ তিনি আরও বলেন, ‘ শুধু হিংসা নয়, মহিলাদের উপর অত্যাচার পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বেড়ে চলেছে। চাপড়ায় সম্প্রতি একটি কিশোরীকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়।আমরা সাধারণ নাগরিকদের ও এই কর্মসূচিতে যোগদানের আহবান জানাচ্ছি। যাতে তাঁদের যোগদানে সরকার এই অগণতান্ত্রিক ব্যবহার পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘ ওইদিন সন্ধ্যায় আমরা বাড়িতে বাড়িতে প্রদীপ জ্বালিয়ে আমাদের যে সমস্ত কর্মী রাজনৈতিক হিংসার বলি হয়েছেন তাঁদের আত্মার শান্তি কামনা করবো। আমাদের কর্মীদের বলেছি আমাদের সদস্য হওয়ার যে নম্বর ৯৭৯৭২৯৪২৯৪, সেই নম্বরে এই কর্মসূচির ছবি পোস্ট করার জন্য।’ এদিন তিনি অভিযোগ করেন ‘ভয় দেখিয়ে , পুলিশ লেলিয়ে বিজেপি কর্মীদের দল ছাড়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। বিহার থেকে লোক এনে বাংলা শাসন করছেন দিদি। এই রাজনীতি বন্ধ হওয়া দরকার।’

রাজ্যে লকডাউনের নামে স্বেচ্ছাচার হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি বলেন ‘, ‘ এই সমস্ত কার্যক্রম বন্ধ করার জন্য বারবার লকডাউন করা হচ্ছে, দিন পরিবর্তন করা হচ্ছে। এমাসেও কেন্দ্রের নির্দেশিকা অগ্রাহ্য করে লকডাউন ডেকে স্বেচ্ছাচারিতার পরিচয় দিয়েছে।’

তিনি পরীক্ষার্থীদের প্রতি রাজ্য সরকারকে মানবিক হওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, ‘ আজ একটি সর্বভারতীয় পরীক্ষা ছিল, সরকার শেষমুহূর্তে বাসের ব্যবস্থা করেছে। আগামী ১৩ তারিখ আরও একটি সর্বভারতীয় পরীক্ষা রয়েছে। তার আগে দূদিন লকডাউন রয়েছে। অনেক ছাত্রছাত্রী দূরদূরান্ত থেকে আসেন। তাঁদের কথা ভেবে সরকার মানবিক হোক। অন্যরাজ্য যদি পরীক্ষার্থীদের থাকা খাওয়া, যাতায়াতের ব্যবস্থা করতে পারে তাহলে রাজ্য সরকার পারবে না কেন? আমরা অবশ্য আজকের মতো ১৩ তারিখও ছাত্র ছাত্রীদের জন্য বাস, ছোট গাড়ির ব্যবস্থা করবো। এজন্য একটি হেল্প লাইন চালু করা হবে।’

Related Articles

Back to top button
Close