fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে ফের পুলিশি বাধার মুখে সায়ন্তন

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে ফের পুলিশি বাধার মুখে বিজেপি নেতা সায়ন্তনু বসু । পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরা থানার শ্রীরামপুরে প্রথম তাঁর গাড়ি আটকায় পুলিশ। পরে আষাঢ়িতেও একইভাবে গাড়ি আটকানো হয় তাঁর। এখনও পর্যন্ত পিংলায় দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে পারেননি তিনি। এর আগেও বিজেপির একাধিক নেতাকর্মীদের ত্রাণ বিলি করতে গেলে পুলিশের পক্ষ থেকে আটকে দেওয়া হয়েছে। বিজেপি কর্মীদের উপর অত্যাচারের প্রতিবাদে ভদ্রেশ্বর এলাকায় গেলে সেখানে পুলিশের পক্ষ থেকে আটকে দেওয়া হয়।

শনিবার পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলায় দলীয় কর্মসূচি ছিল তাঁর। সেই অনুযায়ী সকালেই ব্যক্তিগত গাড়িতে পিংলার উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। পথেই ডেবরা থানার শ্রীরামপুরে তাঁর গাড়ি আটকায় পুলিশ। কোনওভাবে পিংলায় তাঁকে যেতে দেওয়া সম্ভব নয় বলেই জানায় পুলিশ। পুলিশের সঙ্গে একপ্রস্থ বচসায় জড়িয়ে পড়েন গেরুয়া শিবিরের নেতা। এরপর আষাঢ়িতেও তাঁর গাড়ি আটকানো হয়। নিয়মশৃঙ্খলার অবনতির আশঙ্কায় তাঁকে পিংলায় যেতে দেওয়া সম্ভব নয় বলেই সাফ জানিয়ে দেন পুলিশ আধিকারিক। পুলিশের সঙ্গে সেখানে বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। পুলিশের বক্তব্য ছিল, ভদ্রেশ্বরে ওই এলাকায় সায়ন্তন বসু গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে। তারপরে এদিন ফের দেখা গেল পশ্চিম মেদিনীপুরে ঢোকার মুখে সায়ন্তন বসু কে পুলিশ আটকে দিয়েছে।

আরও পড়ুন: ত্রাণ-রেশন নিয়ে দুর্নীতি-অনিয়ম বা দলবাজি হলে তার বিরুদ্ধে প্রশাসন সবরকম ব্যবস্থা নেবে: মমতা

এর আগে শুক্রবার হুগলির তেলিনিপাড়ায় যাওয়ার কথা ছিল সায়ন্তন বসুর। তবে ভদ্রেশ্বর থানার পুলিশ জিটি রোডের কাছে সায়ন্তন বসুর গাড়ির আটকে দেওয়া হয়। আটকে দেওয়া হয় লকেট চট্টোপাধ্যায়কেও। মিথ্যা মামলায় বিজেপি কর্মীদের ফাঁসানো হচ্ছে এই অভিযোগে ভদ্রেশ্বর থানা ঘেরাওয়ের কথা ছিল তাঁদের। পুলিশের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয় বিজেপি নেতার। পরে যদিও থানার সামনের রাস্তায় অবস্থান বিক্ষোভে বসেন লকেট-সায়ন্তনরা। এই ঘটনার প্রতিবাদে সরব হন দিলীপ ঘোষ, রাহুল সিনহা-সহ গেরুয়া শিবিরের প্রায় সকলেই।

Related Articles

Back to top button
Close