fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

রাজ্যে গণতন্ত্র ভেঙে পড়েছে, দলীয় কর্মীরা একের পর এক খুনই তার প্রমাণ: সায়ন্তন বসু

বাবলু ব্যানার্জি, কোলাঘাট: রাজ্যে খুনের ঘটনা বাড়ছে, গত তিনমাসে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় একাধিক বিজেপি কর্মী শাসক দলের কর্মীদের হাতে খুন হয়েছে। নির্বাচন যত এগিয়ে আসবে খুনের রাজনীতির পরিধি বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করলেন রাজ্যে বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু।

উল্লেখ্য, গতকাল পূর্ব মেদিনীপুর জেলার রামনগর থানার অর্জুনি গ্রামে পূর্ণ চন্দ্র দাস নামে এক বিজেপি কর্মীকে মেরে ঝুলিয়ে দেওয়া অভিযোগ উঠেছে শাসকদলের বিরুদ্ধে। তার পরিবার ও এলাকার সার্বিক পরিবেশ পরিস্থিতি দেখবার জন্য রাজ্য থেকে শ্রী বসু তার কর্মকর্তাদের নিয়ে রামনগরে যাওয়ার জন্য রওনা দেয়। আগেভাগেই পূর্ব মেদিনীপুর জেলার জেলা প্রশাসন সায়ন্তন বাবু না যেতে পারে তার সবরকম ব্যবস্থা করে রেখেছিল। সেই মোতাবেক কোলাঘাটের হলদিয়া মোড়ের কাছে পুলিশ বাহিনী লক্ষ্যও করা যায়।

রামনগর যাওয়ার উদ্দেশ্যে যখন শরৎ সেতু অতিক্রম করে গাড়ি,তখন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার প্রবেশদ্বারে অপেক্ষায় কর্মী-সমর্থকরা। কোলাঘাট ব্লকের বিজেপি নেতৃত্ব থেকে কর্মীদের মধ্যে রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক কে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। উপস্থিত নেতৃত্বদের মধ্যে ছিলেন বিজেপির জেলা সম্পাদক দেবব্রত পট্টনায়েক, সংখ্যালঘু মোর্চার জেলা সভাপতি শেখ সাদ্দাম হোসেন , কোলাঘাট মন্ডল তিনের সভাপতি বিবেক চক্রবর্তী সহ ব্লক স্তরের নেতৃত্ব।

ব্লক স্তরের নেতৃত্বদের উপস্থিতিতে রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসুর বার্তা সামনে কঠিন লড়াই প্রস্তুত হোন। লড়াইয়ের ময়দান থেকে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়া যাবেনা শাসক দলকে। গণতান্ত্রিক পদ্ধতির মাধ্যমে বিজেপিকে আরো শক্তিশালী করে তুলতে হবে। এই বার্তা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কর্মী-সমর্থকরা শ্লোগানের পর স্লোগান দিতে থাকেন ভারত মাতা কি জয়। সামান্য সময়েই 6 নম্বর জাতীয় সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়। এই বার্তার পর রামনগর যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। কথা ছিল কোলাঘাটের হলদিয়া মোর দিয়ে যাবে। গত দুমাস আগে এই স্থানেই বিশাল পুলিশবাহিনী আটকে যায় তার গাড়ি। এবার রুট পরিবর্তন করে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ডেবরা দিয়ে।

তমলুক মহকুমা শাসকের নির্দেশক্রমে পাঁশকুড়ার রাতুলিয়া এর কাছে বিশাল পুলিশবাহিনী তার গাড়ি আটকে দেয়। জেলা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয় সরকারের নির্দেশ পালন করছি, এটা ছাড়া আমাদের আর বলার কিছু নেই। রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু গাড়ি থেকে নেবে পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন। বার বার বলতে থাকেন আমার গাড়িকে আটকানো হচ্ছে কেন তার কি কাগজ আছে দেখান।

Related Articles

Back to top button
Close