fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

৩১ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ স্কুল-কলেজ, ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: অন্যদিকে জুলাই মাসেও রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে পঠন পাঠন শুরু হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী । গত ১০ জুন নবান্নের সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “মনে হচ্ছে জুলাই মাসেও স্কুল খুলবে না।” আর এবার মুখ্যমন্ত্রীর কথায় সায় দিয়ে মঙ্গলবার শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়ে দিলেন রাজ্যে আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলবে না। যদিও উচ্চমাধ্যমিকের বাকি পরীক্ষাগুলি নির্ধারিত দিনেই হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য, উচ্চমাধ্যমিকের বাকি থাকা তিনটি পরীক্ষা হবে জুলাই মাসের ২, ৬ ও ৮ তারিখে।

শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন ” উচ্চমাধ্যমিক নিয়ে আমাদের প্রস্তুতি আছে কিন্তু ছাত্র-ছাত্রীদের স্বাস্থ্য দেখেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সুপ্রিম কোর্ট,অন্যান্য বোর্ড বা অন্যান্য রাজ্যগুলির ওপরেও আমরা নজর রাখছি।”ইতিমধ্যেই আইসিএসই বোর্ড দশম ও দ্বাদশ এর বাকি থাকা পরীক্ষাগুলোর জন্য অভিভাবকদের কাছে দুটি বিকল্প ইতিমধ্যেই দিয়েছে। সিবিএসই বোর্ডের পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানিয়ে ইতিমধ্যেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিভাবকরা। এই পরিস্থিতিতে উচ্চমাধ্যমিকের বাকি পরীক্ষাগুলি কিভাবে নেওয়া সম্ভব তার জন্যই কেন্দ্রের এই বোর্ড গুলির পদক্ষেপের ওপর এই আপাতত নজর রাখছে রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতর। এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানান আইসিএসই বোর্ডের তরফে দুই দফা প্রস্তাব অভিভাবকদের দেওয়া হলেও সিবিএসই বোর্ড এখনো পর্যন্ত তাদের সিদ্ধান্ত জানায়নি আদালতকে। যদিও পরীক্ষা সম্পর্কে ইতিমধ্যেই সিবিএসই বোর্ডের থেকে মতামত জানতে চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার মতামত জানানোর কথা থাকলেও সিবিএসই বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে ২৫ জুনের মধ্যেই বোর্ডের মতামত জানানো হবে সুপ্রিম কোর্টকে।

আর পড়ুন: করোনা মোকাবিলায় পিএম কেয়ার ফান্ডের টাকায় দেশীয় প্রযুক্তিতে চলছে ভেন্টিলেটর তৈরির কাজ

প্রসঙ্গত, রাজ্যের করোনা ভাইরাসের শুরু শুরুতে অর্থাত্‍ মার্চ মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে পঠনপাঠন বন্ধ করে দেওয়া হয় রাজ্যে। এরপর রাজ্যের তরফে ঘোষণা করা হয়, প্রথম শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সবাই পাশ! পাশাপাশি শিক্ষামন্ত্রী ঘোষণা করেন পাশ করিয়ে দেওয়া হবে একাদশ শ্রেণির সবাইকেও। এখন স্কুল না খোলার কারন হিসেবে জানা গেছে, রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলকে কয়ারেন্টাইন সেন্টার হিসেবে ব্যাবহার করা হচ্ছে; সেগুলি জীবাণুমুক্ত না করে খোলা যাবে না স্কুল।

Related Articles

Back to top button
Close