fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

মাধ্যমিকের মেধাতালিকা একনজরে

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক:  শহরকে  পিছনে ফেলে এবার মাধ্যমিকে জেলায় জেলায় জয়জয়কার। এবারের মাধ্যমিকে ফলাফলের দিকে এগিয়ে রইল পূর্ব মেদিনীপুর । পূর্ব মেদিনীপুরে পাসের হার ৯৬.৫৯ শতাংশ । দ্বিতীয়স্থানে পশ্চিম মেদিনীপুর ৯২.১৬ শতাংশ । তৃতীয়স্থানে কলকাতা ৯১.৭ শতাংশ । এবারে পরীক্ষায় বসেছিলেন ১০ লক্ষ ৩৫ হাজার। এ বছর ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীদের পরীক্ষায় বসার সংখ্যা ১ লক্ষ ২৭ হাজার ৬৭০ জন। তবে তুলনায় সাফল্যের হার ছাত্রদের বেশি।

একনজরে দেখে নিন এবারের মেধাতালিকা:

প্রথম: ৬৯৪ নম্বর পেয়েছে মেমারি বিদ্যাসাগর মেমোরিয়াল হাইস্কুলের ছাত্র অরিত্র পাল।

দ্বিতীয়: মোট ২জন দ্বিতীয় স্থানাধিকারী। বাঁকুড়ার ওন্দা হাইস্কুলের ছাত্র সায়ন্তন গড়াই, কাটোয়ার কাশীরাম দাস ইনস্টিটিউশনের পড়ুয়া অভীক দাস। তাঁদের প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৩।

তৃতীয়: কেন্দুয়াডিহি হাইস্কুলের ছাত্র সৌম্য পাঠক। দেবস্মিতা মহাপাত্র এবং রহড়া রামকৃষ্ণ মিশন হোমের ছাত্র অরিত্র মাইতি। তাঁরা পেয়েছে ৬৯০।

চতুর্থ: বীরভূম জেলা স্কুলের পড়ুয়া অগ্নিভ সাহা। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৯।

পঞ্চম: পঞ্চম হয়েছে ৪ জন। বংশীহারি হাইস্কুলের ছাত্র অঙ্কিত সরকার, স্বস্তিক সরকার, রশ্মিতা সিনহা মহাপাত্র, বিভা বসু মণ্ডল।

ষষ্ঠ: ষষ্ঠ স্থান অধিকার করেছে ১২ জন।শিলিগুড়ি গার্লস হাইস্কুলের রিঙ্কিনি ঘটক। রায়গঞ্জ করোনেশন হাইস্কুলের অর্চিস্মান সাহা, রাজিবুল ইসলাম, বাঁকুড়া খ্রিস্টান কলেজিয়েট স্কুলের সৃজন সাহা, দক্ষিণচক হাইস্কুলের অরিজিৎ গুহ রায়, সপ্তর্ষি জানা, অশোকনগর বাণীপীঠ গার্লস হাইস্কুলের অস্মি চৌধুরি। হাওড়ার সৌহার্দ পাত্র। তাদের প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭।

সপ্তম: সপ্তম হয়েছে ১৭ জন। কোচবিহারের পরম দত্ত ও রীতম বর্মন, বীরভূম রামপুরহাটের শুভদ্বীপ চট্টোপাধ্যায়, বাঁকুড়ার অরিত্র মাইতি, বাঁকুড়ার সাগ্নিক মিশ্র, বর্ধমানের সৌমিক সরকার, চন্দননগরের কৃষ্ণা ভবানি, আরামবাগের দিব্য কান্তি ঘড়াই, হুগলির সম্প্রীতি কুণ্ড, কোলাঘাটের তিয়াস প্রামাণিক, হাওড়ার মহম্মদ শহিদ। এদের সকলের প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬।

আরো পড়ুন: চিকিৎসক হয়ে দিনহাটার মুখ উজ্জ্বল করতে চায় মাধ্যমিকে সপ্তম স্থানাধিকারী ঋতম বর্মন

অষ্টম: অষ্টম হয়েছেন ১১ জন। জলপাইগুড়ির অরুণতীর্থ সাহা, মালদার নাজীন আজহার, হুগলির সুপ্রতী ভৌমিক, বাঁকুড়ার অঙ্কিতা ঘোষ, পশ্চিম মেদিনীপুরের শুভঙ্কর মাইতি, কোলাঘাটের সময় প্রভা দে, মুর্শিদাবাদের মহাজন দেবনাথ, মঞ্জুষ হালদার, দমদমের অয়ন ঘোষ, দক্ষিণ বারসতের সৌম্যদ্বীপ সরকার, শ্রেয়স সরকার, জলপাইগুড়ির সুনিতাবালা। এদের সকলের প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৫।

নবম: মালদার অঙ্কিতা মণ্ডল, জলপাইগুড়ির শ্রেয়স সরকার, মালদার অঙ্কিতা মণ্ডল, বাঁকুড়ার অরিত্রিক সানিগ্রাহি, বাঁকুড়ার সাবর্ণ হাতি, পশ্চিম বর্ধমানের অনুশ্রী ঘোষ, পূর্ব বর্ধমানের উচ্চশির মণ্ডল, পুরলিয়ায় শুভ্রদ্বীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, পূর্ব মেদিনীপুরের তন্ময় বর। এদের সকলের প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৪।

দশম: ৬৮৩ নম্বর পেয়ে জেলা থেকে দশম স্থান অধিকার করেছে একাধিক পড়ুয়া। এদের মধ্যে রয়েছে মালদার দেবাঞ্জন দে, মালদার সায়ন কর্মকার, বালুরঘাটের রূপসা সাহা, বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরে দেবাত্রিয়া দাস, বাঁকুড়ার অঙ্কন পাত্র, বাঁকুড়ার সোনামুখীর প্রহ্লাদ দত্ত, পূর্ব বর্ধমানের দেবদূত ঘোষ ও অন্বেষা ভট্টাচার্য, সাগ্নিক মুখোপাধ্যায়, পুরুলিয়া রামকৃষ্ণ মিশনের সায়ন বিশ্বাস, পূর্ব মেদিনীপুরের সোহম মাইতি, হুগলি উত্তর পাড়ায় সাগ্নিক মাইতি।

Related Articles

Back to top button
Close