fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

জমি দখলের চেষ্টা….অভিযুক্ত শাসক দল ঘনিষ্ঠ হওয়ায় পুলিশের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ না নেওয়ার অভিযোগ

মিল্টন পাল,মালদা: শাসক দলের ঘনিষ্ঠ হওয়ায় অভিযোগ জানিয়েও ব্যবস্থা নিচ্ছে না পুলিশ। উঠছে পুলিশের বিরুদ্ধে নিস্ক্রিয়তার অভিযোগ। সামান্য ৮শতক জায়গা নিয়ে দুই প্রতিবেশীর বিবাদ। এই নিয়ে সংঘর্ষ। বাধ্য হয়ে মিঠুন সাহা নামে এক অভিযোগকারী এবার জেলার পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হলেন। মালদার গাজোল এলাকার ঘটনা। গাজোল থানার বিরুদ্ধেও হাত গুটিয়ে বসে থাকার অভিযোগ। ঘটনা নিয়ে সরব হরেছে বিজেপি ও কংগ্রেস।

জানা গিয়েছে, গাজল এলাকার মিঠুন সাহার ৮শতক জায়গা রয়েছে। সেই জায়গা দখলের চেষ্টা করছে প্রতিবেশী। এই নিয়ে তাদেরকে জানানো হলে রাতের অন্ধকারে জনৈক প্রতিবেশী বাড়িতে ভাঙচুর করে। গোটা ঘটনায় তারা আতঙ্কে রয়েছে। এই অবস্থায় গাজোল থানায় লিখিত অভিযোগ করলেও পুলিশ ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এমত অবস্থায় প্রাননাশের হুমকি দিচ্ছে। শাসক দলের ঘনিষ্ঠ থাকায় পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

মালদা গাজোলের বাসিন্দা মিঠুন সাহার অভিযোগ, তার সঙ্গে ওই এলাকারই কিছু ব্যক্তির ৮ শতক জমি নিয়ে বিবাদ রয়েছে। ওই ব্যক্তি জোর করে জমি দখল করার চেষ্টা করলে তিনি বাধা দেন। সেই সময়ে তাকে মারধর করে ওই ব্যক্তিরা তার বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। এরপর তিনি বারবার গাজোল থানায় অভিযোগ জানালেও কোন লাভ হয়নি। উল্টে অভিযুক্তরা তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। অভিযুক্তরা যেহেতু শাসকদলের ঘনিষ্ঠ সেই কারণেই পুলিশ ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে তার অভিযোগ। এবার তিনি পুলিশ সুপার ও জেলা শাসকের দ্বারস্থ হয়েছি।

আরও পড়ুন: গোঘাটে বিজেপি কর্মীকে খুনের অভিযোগ, উত্তেজনা, পুলিশের লাঠিচার্জ, প্রহৃত কয়েকজন সাংবাদিক

কংগ্রেসের মালদা জেলার সাধারণ সম্পাদক কালি সাধন রায় বলেন, মালদার গাজোল বলে নয় পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে শাসক দলের দুষ্কৃতীরাজ চলছে। সমস্ত কাজে তৃণমূল যোগ থাকায় পুলিশের হিম্মত নেই তাদের বিরুদ্ধে কোনও আইনি ব্যবস্থা নেই। সুতরাং এখানে আইনের সুশাসন নেই। যার ফলে দুষ্কৃতীরা প্রকাশ্যেই দাপিয়ে বেড়াচ্ছে কিন্তু পুলিশ প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এই সরকারটা সম্পূর্ণ দুষ্কৃতীদের হাতে চলে গিয়েছে। এটা সরকার চলছে না সার্কাস চলছে বলা মুশকিল।

পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সরব হয়েছেন বিজেপি ও কংগ্রেস। বিজেপির মালদা জেলার সহ-সভাপতি অজয় গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, সমাজবিরোধী থেকে অসমাজিক যে কোনও মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসের ঘনিষ্ঠ হলে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না। অবিলম্বে পুলিশকে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। না হলে বিজেপি পথে নামবে।

মালদা জেলার তৃণমূলের কো- অর্ডিনেটর দুলাল সরকার বলেন, এখন যে কেউ বাঁচার জন্য তৃণমূল হওয়ার চেষ্টা করছে। পুলিশ প্রশাসনকে পরিষ্কার নির্দেশ দেওয়া আছে দলের পক্ষ থেকে কেউ যদি তৃণমূলের নাম ভাঙিয়ে কোনও ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপ করে থাকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে। যদিও জেলা পুলিশের কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close