fbpx
আন্তর্জাতিকগুরুত্বপূর্ণবাংলাদেশহেডলাইন

বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিতে চায় চিন

ঢাকা-বেইজিং সম্পর্কে এ অঞ্চলের শান্তি, নিরাপত্তায় বিপুল সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে : হাসিনা

যুগশঙ্খ প্রতিবেদন, ঢাকা: চিন ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে এবং বেল্ট অ্যান্ড রোডের যৌথভাবে নির্মাণ বর্ধন করতে প্রস্তুত ঢাকা ও বেইজিং। দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৪৫তম বার্ষিকীতে এমন দৃঢ় প্রত্যয় ঘোষণা করেছেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট আব্দুল হামিদ।

 

আর চিনের অব্যাহত সহযোগীতায় সন্তুষ্ট বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী দিনগুলিতে বিদ্যমান সম্পর্ক আরও গভীর হবে হওয়ার প্রত্যাশা করেছেন।

তিনি বলেছেন, ঢাকা-বেইজিংয়ের মধ্যে শক্তিশালী সহযোগিতা এই অঞ্চলের, এমনকি সারাবিশ্বের শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতায় বিপুল সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে।

 

রবিবার চিন-বাংলাদেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের ৪৫ তম বার্ষিকী পালনের জন্য বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে অভিনন্দনমূলক বার্তা বিনিময়ের সময় চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেন, বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভের অধীনে দুই দেশের মধ্যকার কৌশল ও প্রকল্পগুলোকে যৌথভাবে অনুমোদনের মাধ্যমে আরো উন্নততর করার জন্য প্রস্তুত।

 

শি জিনপিং বলেন, চিন ও বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ইতিহাস দীর্ঘ এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা নতুন অবস্থায় রয়েছে।

তিনি আরো বলেছেন, ৪৫ বছর আগে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হওয়ার পর থেকেই দুই দেশ একে অন্যের প্রতি সব সময় শ্রদ্ধা দেখিয়েছে এবং একে অন্যকে সমান হিসেবে দেখেছে। বৃদ্ধি পেয়েছে পারস্পরিক রাজনৈতিক আস্থা। গভীর হয়েছে পারস্পরিক সহযোগিতার সুবিধা। এটা দুই দেশের মানুষের কাছে সুস্পষ্ট সুবিধা নিয়ে এসেছে।

 

শি জিনপিং বলেছেন, করোনা ভাইরাস মহামারি শুরুর পর থেকে প্রতিটি জটিলতা ও প্রতিবন্ধকতার মধ্যে একত্রিত রয়েছে চিন ও বাংলাদেশ। একে অন্যকে সাহায্য করেছে। পাশাপাশি থেকে করোনা মহামারির বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। এর মধ্য দিয়ে রচিত হয়েছে দ্বিপক্ষীয় বন্ধুত্বের এক নতুন অধ্যায়।

 

শি জিনপিংয়ের বক্তব্যের জবাবে প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ তার বার্তায় বলেছেন, দ্রুত উন্নতি ঘটছে বাংলাদেশ ও চিনের মধ্যকার বন্ধুত্ব। গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সহযোগিতা করা হচ্ছে, যেসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশ খুব গুরুত্ব দেয়। বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতিতে চিনের অব্যাহত সমর্থনের জন্য গভীর প্রশংসা করেন তিনি।

প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ আশা প্রকাশ করেন যে, দুই দেশের ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরো গভীর হবে এবং তা অব্যাহত থাকবে। একই দিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং।

এতে তিনি বলেছেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে গভীরভাবে বাস্তব সহযোগিতা করতে আগ্রহী চিন। দুই দেশ ও এর মানুষের উন্নত সুবিধার জন্য চিন ও বাংলাদেশের সহযোগিতার কৌশলগত অংশীদারিত্বের অব্যাহত ও টেকসই উন্নয়নকে অনুমোদন করে চিন।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জবাবে বলেছেন, দুই দেশের পরীক্ষিত বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা থেকেই বাংলাদেশ ও চিনের মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতার অংশীদারিত্ব গড়ে উঠেছে। বাংলাদেশ ও চিনের মধ্যে শক্তিশালী সহযোগিতা এই অঞ্চলের, এমনকি সারাবিশ্বের শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতায় বিপুল সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে।

Related Articles

Back to top button
Close