fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

‘অ-শান্তি’নিকেতন: বিশ্বভারতী ইস্যুতে তৃণমূলকে তুলোধনা, কেন্দ্রের দ্বারস্থের আশ্বাস দিলীপের

মনোজ চক্রবর্তী, হাওড়া: সুখ নেই ছাতিমতলায়!  বিশ্বভারতীর পাঁচিল তোলাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতি কার্যত তোলপাড়।এই ঘটনায় বিশ্বভারতী কতৃপক্ষের পাশে দাঁড়িয়ে রাজ্যের শাসক দলকেই কার্যত কাঠগড়ায় তুললেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ।মঙ্গলবার তিনি দিল্লি থেকে কলকাতায় ফেরার পথে হাওড়া স্টেশনে সাংবাদিকদের জানান, “এই ঘটনার পিছনে তৃণমূলের প্রত্যক্ষ মদত রয়েছে। শান্তিনিকেতনের তৃণমূলের সভাপতি ও বিধায়ক এর মদতে পুলিশের সামনে তৃণমূলের কর্মীরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে  বলেই  তাঁর অভিযোগ। আদালতের নির্দেশেই যখন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার নিজের জমিতে পাঁচিল তোলার কাজ করছে সেইখানে  দাঁড়িয়ে  তৃনমূলের অধিকার বোধ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

এমনকি  রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলি তৃণমূলের পার্টি অফিস হয়ে গিয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ। আর সেই সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা তৃণমূলের হয়ে ধর্ণায় বসছেন। শিক্ষাক্ষেত্রগুলিকে তৃণমূল রাজনীতির কেন্দ্রস্থল বানিয়ে ফেলেছে বলেও জানান রাজ্য বিজেপি সভাপতি”। বিশ্বভারতীর  ঘটনা অবিলম্বে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বএল তিনি মনে করেন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে শান্তিনিকেতন ইস্যুটিকে তুলে ধরারও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

পাশাপাশি তিনি যোগ করেন, বিশ্বভারতীর জমি তৃণমূলের সঙ্গে জড়িতরা অবৈধভাবে দখল করে নিয়েছে। সেই জমিতে দোকানপাট চলছে। এবং ওখান থেকে স্থানীয় নেতৃত্ব তোলা তুলছেন বলে দাবি তাঁর। আর এখন পাচিল তোলায় তাদের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে তাই তাতে বাধা দিচ্ছে অনৈতিক ভাবে তৃণমূল বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ রাজ্য সভাপতির।

উল্লেখ্য, গত রবিবার পৌষমেলার কাজ নিয়ে মাঠে পাচিল তোলার কাজ শুরু করলে করোনার যুক্তি দেখিয়ে কাজে বাধা দান করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংঘাতে জড়ায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। এরপর রবিবার বোলপুর থানায়  অধ্যাপকেরা অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর পুলিশি উপস্থিতিতেই শুরু হয় মাঠ প্রাঙ্গণে কাজ ।

Related Articles

Back to top button
Close