fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

অনলাইন দৌড়ে শিক্ষারত্ন দুর্গাপদ মাসান্ত

ভাস্করব্রত পতি, তমলুক : তিনি ‘শিক্ষারত্ন’ পুরস্কার প্রাপ্ত শিক্ষক। শহীদ মাতঙ্গিনী ব্লকের তমলুক দক্ষিন চক্রের হরশঙ্কর গড়কিল্লা হাইস্কুলের বর্ষীয়ান শিক্ষক।

সম্প্রতি করোনা আবহের মধ্যেও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীদের সঙ্গে একটি আন্তর্জাতিক অনলাইন দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সফল ভাবে সম্পন্ন করলেন শিক্ষক দুর্গাপদ মাসান্ত। এতে সৌদি আরব সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ অংশ নিয়েছিল।

প্রতিযোগিরা নিজস্ব মোবাইল নিয়েই দৌড়েছে। সেই দৌড়ানোর সময় নির্দিষ্ট অ্যাপে আয়োজক সংস্থা সহ প্রত্যেক প্রতিযোগীর নিজ নিজ রেকর্ড দেখতে পাওয়ার সুযোগ ছিল। কোভিড মহামারিতে এ এক অন্য ধরনের ব্যবস্থা। এতে আয়োজক সংস্থাকে বাড়তি আয়োজনও করতে হয়না। প্রতিযোগীও তাঁর পছন্দমতো জায়গায় অংশ নিতে পারে।

এর আগে তিনি ২০১৯ এ মেদিনীপুর শহরে অনুষ্ঠিত “ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মাস্টার্স অ্যাথলেটিক্স মিটে” তিনটি ইভেন্টে অংশ নিয়ে একটিতে ব্রোঞ্জ পেয়েছিলেন। এটি তাঁর দ্বিতীয়বার আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ। এছাড়া গত ৭ ও ৮ ডিসেম্বর হলদিয়ার সিপিটি গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত ‘পশ্চিমবঙ্গ মাস্টার্স অ্যাথলেটিক অ্যাসোসিয়েশন’ আয়োজিত ৩৫ তম ‘স্টেট মাস্টার্স অ্যাথলেটিক্স’ মিটের তিনটি ইভেন্ট ৫ কিমি হাঁটা, ৪০০ মিটার দৌড় এবং ১০০ মিটার দৌড়ে অংশ নিয়ে তিনটিতেই সোনা পেয়ে হ্যাট্রিক করেছিলেন দুর্গাপদবাবু। এহেন দৌড়বাজ এবার অনলাইন দৌড় প্রতিযোগিতায় দৌড় দিলেন অভিনবভাবে।

তিনি প্রতি বছরই জেলার বিভিন্ন ক্লাবগুলিতেও রোড রেসে অংশ নেন। তাঁর কথায় ‘এবারের অংশগ্রহণ এক অন্য ধরনের অনুভূতি এনে দিল। কোভিড আমাদের অনেক কিছু কেড়ে নিলেও নতুন ধরনের অনেক শিক্ষাও দিচ্ছে।’

শিক্ষক দুর্গাপদ বাবুর বর্তমান বয়স প্রায় ষাটের কাছাকাছি। আর কয়েক মাস বাদে তিনি অবসর নেবেন। কিন্তু এই বয়সেও তিনি যেন চিরসবুজ। জেলা জুড়ে যেকোনও দৌড় প্রতিযোগিতায় তিনি অংশগ্রহণ করেন এবং সফলভাবে শেষ করেন। রাজ্য সরকার গত ২০১৯ এ তাঁকে ‘শিক্ষারত্ন’ সম্মানে ভূষিত করেছে। তিনি খেলাধুলা ছাড়াও সংস্কৃতিচর্চাতে নিজেকে ডুবিয়ে রাখেন সবসময়।

 

Related Articles

Back to top button
Close