fbpx
পশ্চিমবঙ্গবিনোদনহেডলাইন

চন্দ্রকোনার প্রয়াগ ফিল্ম সিটিতে ফের চালু হবে শ্যুটিং? জল্পনা তুঙ্গে

তারক হরি, পশ্চিম মেদিনীপুর: পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা রোড সংলগ্ন ডুকি এলাকার এক সময়কার বিখ্যাত ফিল্ম সিটি প্রয়াগ ফিল্ম সিটি। বিতর্কিত এই ফিল্ম সিটিতে একটি চলচ্চিত্রের কিছু দৃশ্যের শ্যুটিং করতে চলেছেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা বিশিষ্ট নাট্যকার ব্রাত্য বসু। জানা গেছে মন্ত্রীর পরিচালনায় “ডিকসেনারী” নামে একটি সিনেমার কয়েকটি দৃশ্যের শুটিং হবে এখানে। সিনেমার নায়ক ও নায়িকার ভূমিকায় রয়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিনেত্রী নুসরাত জাহান ও অভিনেতা আবীর চট্টোপাধ্যায়।

শনিবার দুপুরে মন্ত্রী কাম পরিচালক ব্রাত্য বসু স্বয়ং সেই লোকেশন দেখতে চন্দ্রকোনারোডের ফিল্ম সিটিতে আসেন। তিনি ছাড়াও তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন অন্যান্য কলাকুশলীরা। ফিল্ম সিটির শুটিং যোনে রেলস্টেশন এর লোকেশন ঘুরে দেখেন। ইতিমধ্যে শ্যুটিং সেট তৈরীর প্রক্রিয়াও চালু হয়ে গেছে বলে জানা যাচ্ছে। প্রয়াগ ফিল্ম সিটির ম্যানেজার আনন্দ মুখার্জী বলেন “সিনেমার শ্যুটিং লোকেশন দেখতে এদিন ব্রাত্য বাবু ফিল্মসিটিতে এসেছিলেন। তিনি গোটা ফিল্ম সিটির বেশ কিছু সেট ঘুরে দেখেন, ওনার” ডিকসেনারী” নামে একটি সিনেমার কয়েকটি দৃশ্যের শুটিং হবে আমাদের এখানে। এবং তিনি আগামী সপ্তাহেই এই সিনেমার শ্যুটিং এই ফিল্ম সিটিতে শুরু করতে চান।স্বাভাবিক ভাবেই এই প্রক্রিয়া চালু হওয়ায় আমরা খুবই খুশি।”

উল্লেখ্য যে চিটফান্ডের টাকায় এই সু-বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছিল, সেই চিটফান্ড বেআইনি ঘোষিত হয়েছে এবং এর মালিক বর্তমানে বাসুদেব বাগচী ও তাঁর ছেলে দুজনেই জেল হেফাজতে। এক আইনজীবীর বক্তব্য -এই সম্পত্তির মালিকানা এখন আদালতের বিবেচনাধীন। কোনও একটি বিশেষ রাজ্য এর মালিকানা এখুনি দাবি করতে পারেনা কারন ওই চিটফান্ড তার আমানত সংগ্ৰহ করেছিল একাধিক রাজ্য থেকে। নিয়ম অনুযায়ী এই সম্পত্তিতে যে কোনও রকমের কাজ করতে গেলে আদালতের অনুমতি প্রয়োজন। সেই অবস্থায় এখানে শ্যুটিং করা বৈধ কিনা তাই নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে।

যদিও ওই এলাকার সাধারন মানুষের বক্তব্য তাঁরা আইনের কচকচানি বোঝেননা। চিটফান্ডের টাকা আদৌ মানুষ ফেরৎ পাবে কিনা সন্দেহ। আপাতত সরকার কিছু একটা করুন। আপাততঃ এখানে আমরা চাই এখানে শুটিং চালু হোক। ফের এখানে শ্যুটিং শুরু হলে মানুষজনের আনাগোনা বাড়বে এবং এলাকার মানুষের কিছু উপার্জনের উপায় হবে। এক সময় বহু সিনেমার শ্যুটিং হয়েছে এখানে।

স্বাভাবিক ভাবেই এই প্রক্রিয়া চালু হওয়ায় এলাকার মানুষ আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন। কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে এখানে তৈরি হয়েছিল বিভিন্ন সেট এবং সুবিশাল ইনডোর লোকেশন। পূর্বভারতের মধ্যে বৃহত্তম এই ফিল্ম সিটিতে ছিল দেশ বিদেশের শ্রেষ্ঠ স্থাপত্যের আদলে বিভিন্ন মিনিয়েচার। কিন্তু দীর্ঘ প্রায় ৫ বছর সব বন্ধ, যা অনেকটাই আজ ধ্বংসের মুখে।

Related Articles

Back to top button
Close