fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

চোখে মুখে ক্লান্তির ছাপ কিন্তু শেষ হাসি তাঁরই মুখে, যুদ্ধ জয়ের নায়ক এখন সাংসদ জগন্নাথ সরকার

শ্যামল কান্তি বিশ্বাস : দেখলেন, মোকাবেলা করলেন এবং জিতেই ফিরলেন। জেলার রাজনীতিতে যুদ্ধ জয়ের নায়ক এখন সাংসদ জগন্নাথ সরকার। দীর্ঘ টানাপোড়েনে ক্লান্ত কিন্তু তৃপ্তির ছাপ চোখেমুখে। আসলে যুদ্ধ জয়ের স্বাদ এবং অনুভূতিই আলাদা।শাসক তৃণমূল সহ দলদাস পুলিশ প্রশাসনের একের পর এক অনৈতিক বাঁধা অতিক্রম করে আজ তিনি বিজয়ী।

 

 

সমাজ কিংবা রাষ্ট্রের যে কোনও সংকটময় পরিস্থিতিতে স্থানীয় পর্যায়ে জনগন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সহ মোকাবেলায় অংশ নেবেন, জনগনের পাশে থেকে উৎসাহ জোগাবেন, সর্বসাধারণের এই কাঙ্খিত প্রত্যাশা চরিতার্থ করতে বাঁধাদানকারী শাসক দল সহ রাজ্য প্রশাসন, সৌজন্যবোধের সৃষ্টাচার বিধি লঙ্খনকরে কাঠগড়ায়, জনতার আদালতে বিচারাধীন। এই মামলার শুনানি পর্যায়ক্রমে চললেও রায়দান পর্বের জন্য অপেক্ষা কিন্তু করতেই হবে ২০২১ এর ‘মে মাস পর্যন্ত।আন্তর্জাতিক মহামারী করোনা থাবায় জনতা যখন বিপর্যস্ত। কেন্দ্র রাজ্য সহাবস্থানে যখন পরিস্থিতি মোকাবেলার বার্তা দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী,তখন এ রাজ্যে চলছে অন্য খেলা।

 

 

 

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সর্বসাধারণ যেটা দেখতে অভ্যস্ত,দলমত নির্বিশেষে সাংসদ ,বিধায়ক সকলে এক সাথে মিলে মিশে পরিস্থিতির মোকাবেলা করুন কিন্তু বাস্তবে হল উল্টোটা। রাজ্যের শাসক দলের সুপ্রিমো মুখে সৌজন্য ও একসঙ্গে লড়ার বার্তা দিলেও বাস্তবে অসহযোগিতা ছিল পদে পদে, রন্ধ্রে রন্ধ্রে।ফলে মানুষ তার ফল ভোগ করলেন, পরিষেবা পেলেন না সর্বক্ষেত্রে।জনতার সেবা ধর্ম পালনে, এক ই কর্মকাণ্ডে দু’রকম নিয়ম! এমনটি আবার গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার হয় নাকি? এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে খুঁজতে ক্লান্ত রাজ্যবাসী।তবে শেষ ভালো যায়, সব ভালো হয় তার এই শ্বাশ্বত বাক্যালাপে র মধ্যদিয়ে যবনিকা টানতে চান রাজ্যের ভুক্তভোগী নাগরিকবৃন্দ।

Related Articles

Back to top button
Close