fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

মালদায় কাটমানি ও কমিশন নেওয়ার অভিযোগে শো-কজ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি

মিল্টন পাল, মালদা: তৃণমূলের শুদ্ধিকরণে কোপে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। পঞ্চায়েতের কাজে কাটমানি ও কমিশন নেওয়ার অভিযোগে শো-কজ করা হল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতিকে। ঘটনাটি মালদার কালিয়াচক ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির মোথাবাড়ির ঘটনা। তাকে জবাবদিহি করতে বলা হয়েছে দলের পক্ষ থেকে। আর এই নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে তরজা।

পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির নাম টিঙ্কুর রহমান বিশ্বাস। সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিমোর নির্দেশে শুদ্ধিকরণ প্রক্রিয়া। ইতিমধ্যে হাওড়ায় চারজনকে শো-কজ করে। আর এরপর মালদায়। হাওড়া সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বেশকিছু তৃণমূল নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।

আরও পড়ুন:প্রয়াত কলকাতা হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি প্রতীক প্রকাশ ব্যানার্জি

এইবার অভিযোগ উঠেছে কালিয়াচক ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি টিংকুর রহমান বিশ্বাসের বিরুদ্ধে। তার বিরুদ্ধে রাজ্য নেতৃত্বের কাছে বেশ কিছু মানুষ অভিযোগ করে সরকারি প্রকল্পে কাজ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে সে মোটা টাকা কমিশন খেয়েছে ও বিভিন্ন জায়গা থেকে কাঠ মানি তুলেছে। এই নিয়ে একদিকে রাজ্য নেতৃত্ব যেমন তদন্ত করেছে তেমনি জেলা নেতৃত্ব তার তদন্ত প্রক্রিয়া চালায়। এরপরই তাকে মালদা জেলা নেতৃত্ব তাকে শো-কজ করেছে।

জেলা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কালিসাধন রায় বলেন, শাসক দলের ওপর থেকে নিচু তলার সকলেই দূর্নীতিতে যুক্ত। আজ দুর্নীতিবাজ চোররা ছোট চোরদের বিচার করছে। তাই পঞ্চায়েত থেকে সমস্ত কাজে নির্দিদ্ধায় দুর্নীতি করছে।সাধারন মানুষদের সঙ্গের কাজের নামে ঠগবাজি প্রতারণা করছে। এদেরকে মানুষ সময়ে ছুঁড়ে ফেলে দেবে।

আরও পড়ুন:সেনাদের মনোবল বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী মোদির এই লাদাখ সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ: রাজনাথ সিং

সিপিএমের জেলা সাধারণ সম্পাদক অম্বর মিত্র বলেন, গোটা তৃণমূল দলটাকে শো-কজ করা উচিত। তৃণমূল দলের উপর থেকে নিচ পর্যন্ত দুর্নীতিতে যুক্ত হয়ে পরেছে। এদের শেষের বেলা চলছে। শেষের বেলা যতটা সম্ভব লুঠ পাট করার পন্থা অবলম্বন করছে। তা আমরা আমফান ঝড় থেকেই দেখতে পাচ্ছি। ফলে এখানে কে কাকে শো-কজ করে। টাকা চোরকে ধরার চেষ্টা করছে। চোর এবার নিচের তলার ছিচকে চোরকে ধরবে। সুতরাং গোটা তৃণমূল দুর্নীতিতে ডুবে গেছে। এরপর মাথাটাও ডুবে যাবে।

বিজেপির রাজ্য নেতা মানবেন্দ্র চক্রবর্তী বলেন,গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে শো-কজ চলছে। আজকে আমফানের দূর্নীতিতে শো-কজ হচ্ছে। ওদের আবার একটা ভয় আছে শোকজ করলে অন্যদলে চলে যাবে। তাই দল যাতে না ছেড়ে চোর লুচ্চা বাটপার বদমাস দলেই থাক দিদির আচঁলে থাকা। এটাই তাদের একমাত্র উদ্দ্যেশ্য। অথব প্রথমা যাকে শো-কজ করা উচিত সে হল পশ্চিমবঙ্গের যুবরাজ যাকে বলে অভিষেক ব্যানার্জি তাই তাকে শো-কজ করলে যেমন উত্তর দেবে না। তেমনি এই উত্তর দেবে না। এটা কেবল মাত্র মানুষকে ধোকা দেওয়ার একটা চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর এই লাদাখ সফর বীর সেনাদের মনোবল আরও বাড়িয়ে তুলবে: অমিত শাহ

তৃণমূলের জেলা কমিটির অন্যতম নেতা তথা ইংরেজবাজার পৌরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারি বলেন, এই নেতার বিরুদ্ধে অনেকদিন ধরে নানান রকম অভিযোগ উঠেছে আর সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দলের ভালোর জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দলের ওপরে কেউ নয়। বিরোধী দলগুলির এই ধরনের ক্ষমতা নেই। অযথা রাজনীতি করছে তারা। যদিও গোটা ঘটনা নিয়ে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে যান।

Related Articles

Back to top button
Close