fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

শ্রীকৃষ্ণ সেবাশ্রম সংঘ বগুলাকে গর্বিত করেছে

শ্যামলকান্তি বিশ্বাস: ভারত কেশরী ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতি বিজড়িত বগুলা শ্রীকৃষ্ণ সেবাশ্রম সংঘ আজ বগুলাবাসীর গর্ব, নদিয়ার অহঙ্কার। এলাকার অনগ্ৰসর শ্রেণী সহ সমাজের পিছিয়ে পড়া জনজাতির শিক্ষার প্রসার সহ এলাকার সার্বিক উন্নয়ণে বগুলা শ্রীকৃষ্ণ কলেজ, বগুলা গার্লস হাই স্কুল, বগুলা গ্ৰামীণ হাসপাতাল, মুড়াগাছা কলোনির ভূমিকা অপরিসীম, এদের উপস্থিতি, প্রতিষ্ঠা সহ বিকাশ ঘটানোর নেপথ্য কারিগর এই শ্রীকৃষ্ণ সেবাশ্রম সংঘ।১৯৪৭ এর দেশভাগের পর ভিটে মাটি সহ স্বপ্নের প্রকল্প ওপার বাংলার ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ সাব-ডিভিশনের রামদিয়া শ্রীকৃষ্ণ কলেজের অভিভাবকত্ব, অধিকার,মায়া এবং সত্ত্ব ছেড়ে আসা কতিপয় পথপ্রদর্শকের স্বপ্ন পূরণের সফল প্রয়াস বগুলা শ্রীকৃষ্ণ সেবাশ্রম সংঘ।বগুলার পরিপূর্ণতা সহ সমৃদ্ধি ঘটানোর নেপথ্যে এই সেবাশ্রমের ভূমিকা অপরিসীম।

বগুলা রেলওয়ে স্টেশন থেকে পায়ে হেঁটে পাঁচ মিনিট উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে বগুলা ৬৯ নং মৌজায় ২৫ বিঘা জমির উপর সুবিশাল কর্মকাণ্ড।আশ্রমের মূল আকর্ষণ পার্থ সারথির মন্দির। এছাড়াও পাবলিক হেলথ ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ কর্তৃক গভীর নলকূপের মাধ্যমে বর্ধিত বগুলা এলাকায় বিশুদ্ধ পরিশোধিত জল সরবরাহের ব্যবস্থা।পশু চিকিৎসালয় এবং অতি সম্প্রতি ব্যপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে আইটিআই কলেজ। কালের প্রবাহে পরিচালন কমিটিতে অনেক নামের ই বিয়োজন কিংবা সংযোজন ঘটলেও অগ্ৰগতিতে তেমন শিথিলতা চোখে পড়েনি। ঘটনার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে প্রথমেই যে নামগুলি উঠে আসে, ১৯৪৭ সালের দেশ ভাগের পর ওপার বাংলার শ্রীকৃষ্ণ সংঘের মুল উদ্দোক্তা চন্দ্রকান্ত বোস, কমলাকান্ত দাস, রমেন্দ্র কিশোর মল্লিক, সুশীল কুমার গুপ্তদের সন্মিলিত প্রয়াসের ই ফলশ্রুতি শ্রীকৃষ্ণ সেবাশ্রম সংঘ।শুরুটা যদিও  বীরভূম জেলার সাঁইথিয়া শহর থেকেই হয়েছিল।

শ্রীকৃষ্ণ সেবাশ্রম সংঘের প্রথম ভিত্তি পত্তন ঘটে বীরভূম জেলার। সংস্থার রেজিস্ট্রেশন নং Regs.no-604(xxi of 1960 Act). পরবর্তীতে ১৯৫০ সালের জুলাই মাসে রমেন্দ্র নাথ মল্লিক,কমলা কান্ত দাস, সুশীল কুমার গুপ্ত সহ প্রিয়নাথ বিশ্বাস, বৈদ্যনাথ ঠাকুর,জীতেন্দ্র নাথ হালদার,শুকলাল বিশ্বাস, কৃষ্ণ প্রসাদ রায়, রাখার চন্দ্র সরকার, রাজেন্দ্র নাথ সিকদার, মুকুন্দ বিহারী দাসের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও বিশ্বনাথ শাস্ত্রী,মানিক কর্মকারের মতো কিছু মানুষের আর্থিক সহায়তায় দ্রুততার সঙ্গে এই সেবা প্রতিষ্ঠানের কাজ এগিয়ে চলে। অর্থ সাহায্যে এগিয়ে আসে মারোয়ারী রিলিফ সোসাইটি সহ ভারত সেবাশ্রম সংঘ। মন্দিরের মূল বিগ্ৰহ পার্থ সারথি।প্রতি বছর রথযাত্রা ও জন্মাষ্টমী  তিথিতে ঘটা করে উৎসব ও মেলা বসে থাকে। ভারত কেশরী ডঃ শ্যামা প্রসাদ মুখোপাধ্যায় সহ হেমন্ত কুমার বসু, মন্ত্রী স্মরজিৎ ব্যানার্জি, মন্ত্রী বিশ্বনাথ মুখার্জি, মন্ত্রী সরল দেব সহ শিক্ষাবিদ রমনী রঞ্জন সেনগুপ্ত,তারকদাস ব্যানার্জি, ফজলু রহমানের আগমন ঘটেছে এই সেবাশ্রম প্রাঙ্গণে।

আরও পড়ুন: হাথরস কাণ্ড! মোদির বিরুদ্ধে বিকেলেই ইন্ডিয়া গেটে জমায়েত, হুংকার চন্দ্রশেখর আজাদের

যাদের উপস্থিতি ও সাহচার্যে শ্রীকৃষ্ণ সেবাশ্রম সংঘের কর্ম ধারা এগিয়ে চলেছে তারা হলেন, মনোরঞ্জন গুপ্ত,হরিনাথ রায়,মনোহর চৌধুরী,সীতাংশু প্রকাশ রায় চৌধুরী, হরেন্দ্র নাথ ঘোষ, খগেন্দ্র নাথ সেনগুপ্ত,চন্দ্র নাথ বসু, সুশীল কুমার গুপ্ত,রমেন্দ্র কিশোর মল্লিক, প্রমোদ রঞ্জন সেনগুপ্ত, নিত্যানন্দ দাসগুপ্ত,জানকী নাথ বিশ্বাস, বিনয় ভূষণ সেনগুপ্ত,নগেন্দ্র নাথ কীর্তনীয়া, যোগেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, নিত্যানন্দ দাসগুপ্ত,অবনী কান্ত দত্ত,বসন্ত কুমার দাশগুপ্ত, বিচরণ গাইন, রাখাল রঞ্জন শাঁখারী, গৌরী দাসী, রতন চন্দ্র রায়, সুশীল কুমার বিশ্বাস, বিনয় কৃষ্ণ বিশ্বাস, মনীন্দ্র নাথ সরকার, অমরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস,শুকদেব মল্লিক,বিমল বিশ্বাস,প্রভাকর মন্ডল, গোপাল চন্দ্র মন্ডল,বিজন বিশ্বাস,কৃষ্ণ চন্দ্র বিশ্বাস,দুলাল বিশ্বাস, শিশির মল্লিক,তাপস মিত্র, গৌতম নন্দী, তপোধন বিশ্বাস, সত্যরঞ্জন সরকার, সলীল কুমার গুপ্ত, মৃনাল কান্তি কুন্ডু, মৈত্রী গুপ্ত, কণা গুপ্ত,শিবনাথ রায় চৌধুরী, পরেশ চন্দ্র দে, সুশান্ত বিশ্বাস, শ্যামল ভৌমিক,রতন লাল ভৌমিক, পীযূষ কান্তি কুন্ডু, গোলক চন্দ্র ঠাকুর, দেবাশিস দাশগুপ্ত, দিব্যেন্দু বিশ্বাস, কল্যাণ কুমার ঢালি, বিমল বিশ্বাস,মুকুন্দ বিশ্বাস, দীনেশ বিশ্বাস, মানিক সরকার, অরুপ বিশ্বাস, অমৃত দাস,সুধীর বিশ্বাস, নিত্য গোপাল মন্ডল, কার্তিক চন্দ্র বিশ্বাস।

Related Articles

Back to top button
Close