fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

শুভেন্দু অধিকারী বঙ্গ রাজনীতির সম্পদ, পিকের স্ট্র্যাটেজি বাংলায় যথার্থ নয়: শীলভদ্র দত্ত 

অলোক কুমার ঘোষ, ব্যারাকপুর: দলের লাইনের বাইরে গিয়ে ফের উল্টো সুর গাইলেন ব্যারাকপুরের তৃণমূল বিধায়ক শীলভদ্র দত্ত । ব্যারাকপুরের তৃণমূল বিধায়ক শীলভদ্র দত্ত এর আগেও একাধিকবার দলের লাইনের বাইরে গিয়ে কথা বলেছিলেন । একবার সাসপেন্ড ও হন দল থেকে । সামনেই ২০২১ বিধানসভা নির্বাচন, সম্মুখ সমরে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি । এই পরিস্থিতিতে এবার ব্যারাকপুরে বিজয়া সম্মিলনী ডেকে নিজের অনুগামীদের স্পষ্ট করে জানিয়ে দিলেন, সামনের বছর ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে তিনি তৃণমূলের টিকিটে বিধানসভা ভোটে দাঁড়াবেন না ।

এই প্রসঙ্গে তিনি তার অনুগামীদের উদ্দেশ্যে বলেন, রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রে তিনি অনেক কাজই ঠিকঠাক করতে পরেননি । তবে ব্যর্থতার দায় তিনি অন্য কারুর কাঁধে চাপাননি । বলেছেন, “সমস্ত ব্যর্থতার দায় আমার । আমি ২০২১ এর ভোটে তৃণমূলের প্রার্থী হব না । দল অন্য কোন যোগ্য প্রার্থী খুঁজে নিক । তবে দলের সাধারন কর্মী হিসেবে দল আমাকে দলে রাখলে আমি নিশ্চই থাকব ।” দলের লাইনের বাইরে গিয়ে পিকের স্ট্র্যাটেজি বাংলায় চলবে না বলেও মন্তব্য করেছেন ব্যারাকপুরের তৃণমূল বিধায়ক । তিনি বলেন, “পছন্দ নয় প্রশান্ত কিশোরের স্ট্র্যাটেজি । ওরা অনেক জায়গায় জিতিয়েছে শুনেছি, আবার বেশ কিছু জায়গায় হেরেও গেছে। বাংলার রাজনীতিতে এই ধরনের ডিজিটাল রাজনীতি চলবে না ।” স্পষ্ট করে জানিয়ে দিলেন ব্যারাকপুরের তৃণমূল বিধায়ক ।

শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে যখন রাজনৈতিক দল বদলের জল্পনা তুঙ্গে, ঠিক সেই সময় শুভেন্দু অধিকারীর পদাঙ্ক অনুসরন করে ব্যারাকপুরের তৃণমূল বিধায়ক শীলভদ্র দত্ত স্পষ্ট করে জানিয়ে দিলেন, ২০২১ বিধানসভা ভোটে তিনি আর বিধায়ক পদে দাঁড়াবেন না । তবে তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করছেন না ব্যারাকপুরের তৃণমূল বিধায়ক শীলভদ্র দত্ত । শীলভদ্র দত্ত এদিন সাংবাদিকদের শুভেন্দু অধিকারী সম্পর্কে বলেন, “ও অনেক সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে উঠে এসেছে । তৃণমূল কংগ্রেস দলের ও সম্পদ কি না, জানি না । তবে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে শুভেন্দু অধিকারী বঙ্গ রাজনীতির সম্পদ তো বটেই ।”

শুভেন্দু অধিকারী দল ছাড়লে দলে কি খারাপ প্রভাব পড়বে ? সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তরে শীলভদ্র দত্ত বলেন, “এর আগেও অনেকে দল ছেড়েছে, তবে কি প্রভাব পড়বে তা পরবর্তী সময়ে বোঝা যাবে । আমি কোন দলের বড় নেতা নই, ওকে কিভাবে ধরে রাখা যায় তা নিয়ে মন্তব্য করব । দলে অনেক বড় বড় নেতা আছে এই বিষয়ে বলার । হ্যাঁ তবে আমাকে যারা অসুস্থ বলে চালানোর চেষ্টা করছে সেটা আমার খারাপ লাগে । আমি এই করোনা পরিস্থিতিতে দলের সমস্ত নির্দেশ মেনে কাজ করেছি । তবুও অসুস্থ বলে চালানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে কেউ কেউ, এটা ব্যথার এবং যন্ত্রণার ।”

প্রশান্ত কিশোরের রাজনৈতিক স্ট্র্যাটেজি বাংলায় অচল, ওই ভাবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে বাংলায় রাজনীতি চলে না । প্রশান্ত কিশোরের পদ্ধতি তার ব্যাক্তিগত ভাবে পছন্দ নয় । ব্যারাকপুরে এক অনুষ্ঠান বাড়িতে সাংবাদিক বৈঠক করে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন ব্যারাকপুরের তৃণমূল বিধায়ক শীলভদ্র দত্ত ।

Related Articles

Back to top button
Close