fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

গরু পাচার কান্ডে বিএসএফকেই কাঠগড়ায় তুললেন সিদ্দিকুল্লাহ

মিল্টন পাল,মালদা: মূল অপরাধী বিএসএফ। বিএসএফের একাংশ প্রহরার নামে গদ্দারি করছে। রাজ্যে গরু পাচার তদন্তে সিবিআই এর অভিযানের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় সরকারের এই আধা সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী তথা সংখ্যালঘু সেলের রাজ্য সভাপতি মৌলানা সিদ্দিকুল্লাহ্ চৌধুরী। বৃহস্পতিবার মন্ত্রী মালদায় আসেন জমিয়তে উলামার একটি সংগঠনের কর্মসূচিতে। গাজোলে যাওয়ার আগে মালদা শহরের পুরনো সার্কিট হাউসে একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন মন্ত্রী একথা বলেন। পাল্টা উত্তর মালদার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন তৃণমূলের কোন মন্ত্রী এসব কথা মানায় না।এসব কথা বলা মানে চোরের মুখে ধর্মের কাহিনী শোনা।

মন্ত্রী মৌলানা সিদ্দিকুল্লাহ্ চৌধুরী সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন,বিএসএফ বর্ডারকে সুরক্ষিত করতে যদি না পারে তাহলে দেশের মানুষকে কে সুরক্ষা দেবে। তুমি সরকারের উর্দি পড়েছ হাতে আগ্নেয়াস্ত্র আছে তার পরেও সীমান্ত কেন সুরক্ষিত থাকবে না।সীমান্তে গরু পাচারের ঘটনায় সশস্ত্র বিএসএফের যে ভূমিকা তা মানুষের সামনে তুলে ধরা দরকার। মূল অপরাধী তারাই। গোরু পাচারকারীরা তো অনেক নিচে রয়েছে । বিএসএফের একাংশ গাদ্দারী করেছে । তার খেসারত তো দিতেই হবে। মানুষ এর যোগ্য জবাব দিবে।এদিকে সংখ্যালঘু সেলের জেলা সভাপতি যাকে করা হয়েছে , সেই নজরুল ইসলামকে নিয়ে আগামী বিধানসভায় মোথাবাড়ি কেন্দ্রের প্রার্থীর করার জল্পনা চলছে। সেই প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, নজরুল ইসলামকে আমি শুধু একটা জায়গা দিয়েছি ঠিকই। তাকে এখন সংখ্যালঘুদের নিয়ে দলের শক্তি বৃদ্ধিতে কাজ করতে হবে। কে প্রার্থী হবে, সেটা ঠিক করবেন দলনেত্রী মমতা ব্যানার্জি ।

নিজের দপ্তর প্রসঙ্গে গ্রন্থাগার মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে গ্রন্থাগারগুলিতে বহু শূন্যপদ তৈরি হয়েছে। এই শূন্যপদ পূরণ করার ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার তথা মুখ্যমন্ত্রী প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিবে। তবে বামফ্রন্টের আমল থেকে শতাধিক গ্রন্থাগার গুলি বন্ধ হয়েছিল। সেগুলি নতুন করে চালু করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। করোণা আবহের মধ্যে গ্রন্থাগারগুলিতে প্রতিনিয়ত স্যানিটাইজা করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে যাতে মানুষ গ্রন্থাগার গুলিতে আসতে পারেন তার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close