fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বাড়ছে সংক্রমন, সাত দিনের সম্পূর্ণ লকডাউনে শিলিগুড়ি 

নিজস্ব সংবাদদাতা, শিলিগুড়িঃ শহর কলকাতা, গ্রেটার কলকাতা সহ রাজ্যের অন্যান্য জেলার পর এবার শহর শিলিগুড়ির বেশ কিছু স্পর্শকাতর অঞ্চলকে সম্পূর্ণ লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিল জেলা প্রশাসন। অর্থাৎ যেই সমস্ত ওয়ার্ডগুলি বা অঞ্চলগুলির মধ্যে সবচাইতে বেশি সংখ্যায় করোনা সংক্রমনের ঘটনা ঘটেছে, সেই ওয়ার্ড গুলিকেই চিহ্নিত করে সেগুলিকে সম্পূর্ণ লক ডাউনের ঘোষনা করলেন দার্জিলিং জেলার জেলা শাসক এস পুনমবালম।

বুধবার স্টেট গেস্ট হাউজে টাস্ক ফোর্সের বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্তের কথা জানান জেলাশাসক। দার্জিলিং জেলা ও জলপাইগুড়ি জেলার সংযোজিত অঞ্চল মিলিয়ে শিলিগুড়ি পুরনিগমের মোট ন’টি ওয়ার্ড তথা অঞ্চলকে সম্পূর্ণ লক ডাউনের আওতায় আনলো জেলা প্রশাসন। বুধবার বিকেলে এই ঘোষনা হরা হয় এবং বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটা থেকে তা লাগু করা হবে বলে জানান জেলা শাসক।

দিন যত এগোচ্ছে, গোটা দেশের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের সবকটি জেলাতেই করোনা ভাইরাসের সংক্রমনের মাত্রাও ততই বাড়ছে। উত্তর থেকে দক্ষিন কোনও বঙ্গেই এর প্রকোপের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না। তেমনই বাদ যায় নি শহর শিলিগুড়ি ও তার পার্শবর্তি অঞ্চল গুলিও। দিন প্রতিদিন শহর ও শহরতলির অঞ্চলগুলিতে একটার পর একটা আক্রন্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এই পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই  রাজ্যের সমস্ত বিরোধী দলগুলি ও জেলার নাগরিকেরা। ইতিমধ্যেই রাজ্য বিজেপি’র সভাপতি দিলিপ ঘোষ সহ দার্জিলিং এর সাংসদ রাজু বিস্ত বারংবার রাজ্য সরকারের কাছে শিলিগুড়িকে সম্পূর্ণ লকডাউনের দাবি জানিয়ে এসেছে। কিন্তু জেলা প্রশাসনের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষনের পর উদ্বেগজনক হয়ে ওঠার রিপোর্ট পাওয়ার পরই লক ডাউনের ঘোষনা করলো রাজ্য প্রশাসন। বুধবার রাজ্য সরকারের সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল টাস্ক ফোর্সের বৈঠকে।

এদিন, জেলা শাসক শিলিগুড়ি পুরনিগমের ন’টি ওয়ার্ডকে ব্রড কন্টাইনমেন্ট জোন হিসেবে চিহ্নিত করে বৃহস্পতিবার বিকাল পাঁচটা থেকে সম্পূর্ণ লকডাউনের ঘোষনা করেন। শিলিগুড়ি পুরসভাট সেই সব ওয়ার্ড গুলির মধ্যে দার্জিলিং জেলার অন্তর্গত ২, ৪,৫,২৮,৪৬ ও সংযোজিত ওয়ার্ড অর্থাৎ জলপাইগুড়ি জেলার মধ্যে রয়েছে ৩৭,৩৮,৩৯ ও ৪৩ নম্বর ওয়ার্ড। জেলা প্রশাসনের পর্যবেক্ষন অনুযায়ী ওই সমস্ত ওয়ার্ড গুলি থেকে করোনা সংক্রামনে আক্রন্তের সর্বাধিক সংখ্যা সামনে এসেছে। মোট সংক্রমনের ৪৫শতাংশ ওই সমস্ত ওয়ার্ডগুলি থেকে সামনে এসেছে। তিনি আরও জানান, আপতত আগামী সাত দিন পর্যন্ত এই লকডাউন বহাল থাকবে। তাতে, নিত্য প্রয়োজনীয় দোকান ও মোবাইল সব্জি বিক্রয় গুলিকে ছাড় দেওয়া হয়েছে৷ তবে বড়ো দোকান, শপিং মল, বাজার, মার্কেট গুলিকে এই লকডাউনের আওতায় রাখা হয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close