fbpx
কলকাতাহেডলাইন

তৃণমূলের অবস্থা বাঁধাকপির মতো, পাতা ছাড়াতে ছাড়াতে দুজন পড়ে থাকবে: দিলীপ ঘোষ

শরণানন্দ দাস, কলকাতা:  প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে রবিবার ফের তৃণমূলকে নিশানা করলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ । ঘাসফুল শিবিরের অন্তর্কলহ প্রসঙ্গে বলেন, ‘ওদের এখন বাঁধাকপির মত অবস্থা। পাতা ছাড়াতে ছাড়াতে কপি খুঁজে পাওয়া যাবে না। পার্টিতে দুজনেই থাকবেন। বাকি পার্টি উঠে যাবে।’ প্রসঙ্গত শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল শিবিরে ক্রমশই কোণঠাসা হচ্ছেন। ফলে বঙ্গ রাজনীতিতে শুভেন্দুর গেরুয়া শিবিরে যোগদানের সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা বাড়ছে।

এদিন সেদিকে ইঙ্গিত করেই দিলীপ ঘোষের এই কটাক্ষ, এমনটাই মনে করছেন তথ্যাভিঞ্জ মহল। ইঙ্গিত পূর্ণভাবে তিনি আরও বলেন,’ যাঁরা পরিবর্তনের অপেক্ষায়, আমরা নিশ্চয়ই তাঁদের স্বপ্ন পূরণ করব। সত্যিকারের পরিবর্তন বিজেপি করবে।’
ঘাসফুল শিবিরের দুর্নীতির প্রসঙ্গেও সরব হন মেদিনীপুরের সাংসদ। তিনি বলেন, ‘দুর্নীতি ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ছাড়া তৃণমূল হয় না। ওদের দল বলে কিছু নেই, কিছু গোষ্ঠী আছে। আর দুর্নীতির বাইরে কোনও নেতা নেই। যেই কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলো কাজ শুরু করেছে, চারিদিকে হৈ চৈ শুরু হয়ে গিয়েছে। গরু পাচার ও কয়লা পাচার এই দুই অবৈধ ব্যবসা চলে আমাদের রাজ্যে। আর তার সঙ্গে বেশিরভাগ সরকারি দলের নেতা-ই যুক্ত আছেন। আর সেখানে যখন হাত পড়েছে, মুখ্যমন্ত্রী পর্যন্ত হাহাকার করছেন। এ থেকেই বোঝা যাচ্ছে এরা কাদের নিয়ে দল করছে।’

প্রসঙ্গত, নিউটাউনে অমিত শাহ মতুয়া বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজের পরদিনই পাল্টা সভা করে তৃণমূল। এই প্রসঙ্গে এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘অমিত শাহ জনসভা করতে আসেননি। দলীয় কর্মীর বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজে এসেছিলেন। তাঁকে দেখতে হাজার হাজার লোক বেরিয়ে এসেছিল। তাতেই ভিড় হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূল যদি পাল্টা সভা করে থাকে তো খুব ভালো। আমরাও পাল্টা সভা করব। সভার পর সভা হবে। নির্বাচন আসছে সভা তো হবেই।’

এদিন দুপুরে একটি বৈদ্যুতিন মাধ্যমে তিনি দাবি করেন, ‘বাস্তব ভিত্তিতেই অমিত শাহ বলেছেন, বিজেপি একুশের নির্বাচনে ২০০ আসন পাবে। কারণ মানুষ বিজেপির সঙ্গে আছে। তাছাড়া অমিতজি রাজনীতি বোঝেন, সংগঠন বোঝেন। ‘ তিনি আরও বলেন, ‘অমিতজি এবারে এসে জনসম্পর্ক করেছেন, বাংলার মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন, অভাব অভিযোগ শুনেছেন। আমাদের কর্মীরা স্বাভাবিক কারণেই উৎসাহিত বোধ করেছেন। তৃণমূল চাপে পড়েছে।’ মুখ্যমন্ত্রী মুখ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘ আমাদের দলের পাঁচ সাত জনের নাম ভাসছে। তার বাইরেও একাধিক নাম সংবাদ মাধ্যমের চর্চায়, এটা একটা জিনিষ প্রমাণ করছে যে বিজেপি ক্ষমতায় আসছে।’

Related Articles

Back to top button
Close