fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

নিজের মাকে মারধর করায় বাবাকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে খুন ছেলের

নিজস্ব প্রতিনিধি, দিনহাটা: নিজের মাকে প্রায়ই মারধর করার ঘটনায় বাবাকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে খুন করা ছাড়াও অস্ত্র দিয়ে আঘাত করল সৎ মাকে। রবিবার গভীর রাতে দিনহাটার গিতালদহ-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ধরলা নদী দ্বারা বিচ্ছিন্ন বাংলাদেশ সীমান্ত ঘেঁষা দরিবশ গ্রামে। ওই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় এলাকায়।পরে তাঁদের চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন ছুটে এলে অভিযুক্ত ছেলে পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় দু’জনকে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা ওই অভিযুক্তের বাবা করুনা বর্মনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এবং তাঁর সৎ মা ঊষাদেবী বর্তমানে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকার গিতালদহ এলাকার দরিবশ গ্রামের বাসিন্দা করুনা বর্মন পেশায় কৃষক। তাঁর প্রথমপক্ষের স্ত্রী ও সন্তান থাকা সত্বেও বছর কয়েক আগে তিনি দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকেই সংসারে অশান্তি লেগে থাকত। স্থানীয় এলাকার গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য গীতালদহ দুই গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান মনসুর আলী মিঞা বলেন প্রায়ই ওই বাড়িতে পারিবারিক গন্ডগোল হত। এদিন রাতেও বাসন্তী বর্মনকে তার ছেলের সামনেই মারধর করা হয়। অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র গৌতম তার মায়ের উপর মারধরের ঘটনা সহ্য করতে না পেরেই বাবা ও সৎ মা কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। দুজনের মধ্যে করুণা বর্মনের মৃত্যু হয়।

বিষয়টি নিয়ে দিনহাটা থানার আই সি সঞ্জয় দত্ত জানান, গিতালদহ এলাকার দরিবশ গ্রামের গৌতম বর্মণ(১৫) নামে এক যুবক তাঁর বাবা ও সৎ মার সঙ্গে বিবাদে জড়ায় পরে। পরে সে পাট কাটার বোঁটি দিয়ে তাঁর বাবা ও সৎ মাকে আঘাত করে। স্থানীয়রা হাসপাতালে নিয়ে আসলে তারা বাবা করুনা বর্মণ মারা যায়। তাঁর সৎ মা দিনহাটা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। পুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দিনহাটা থানার পুলিশ।

Related Articles

Back to top button
Close