fbpx
কলকাতাদেশহেডলাইন

সোনিয়া মমতার বিরোধী ঐক্যে ফাটল

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি ও কলকাতা: করোনা মোকাবিলায় রাজ্যকে প্রয়োজনীয় অর্থ দিচ্ছে না কেন্দ্র। তাঁর বদলে রাজ্যের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ভাঙার চক্রান্ত চলছে। মূলত এই দুই অভিযোগে বিরোধীদের নিয়ে সরব হতে চেয়েছিলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। ভিডিও কনফারেন্স ডেকে বিরোধী ঐক্যের ছবি তুলে ধরতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বৈঠকে গরহাজির থাকলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, বিএসপি নেত্রী মায়াবতী, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব। ফলে বিরোধী ঐক্যের ছবিটাই এদিন  ভেস্তে যায়।

সূত্রের খবর, সোনিয়া গান্ধী এদিন প্রধানমন্ত্রীর ২০ লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজের বিরুদ্ধে সরব হন। তাঁর মতে, এটা একেবারেই হাস্যকর। প্যাকেজের নামে দেশকে বেঁচে দেওয়ার চক্রান্ত চলছে। তাঁর কথায়, ‘এখন সরকার তথা দেশের সমস্ত শক্তি শুধু একটি দফতরে সীমাবদ্ধ। তা হল প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়। যে দফতর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা, যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোকে ভুলে গিয়েছে।

এদিন বৈঠকের শুরু থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থাকতে পারেননি। আমফানের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আকাশপথে ঘুরে দেখে বসিরহাটে বৈঠক সেরে নবান্নে ফেরেন তিনি। তবে বৈঠকের শুরু থেকে ডেরেক ও ব্রায়েন ছিলেন। সূত্রের খবর, কোভিড ১৯-এর পাশাপাশি আমফান বিধ্বস্ত বাংলার ত্রাণ ও পুনর্গঠন নিয়ে সোচ্চার হন মমতা। প্রধানমন্ত্রীর ১০০০ কোটি টাকার প্যাকেজ নিয়ে তাঁর ধন্দ রয়েছে। এরপরে আর কিছু মিলবে কিনা স্পষ্ট নয় বলেও জানান। যদিও মমতা এও জানান, তিনি কিছু দাবি করবেন না। কেন্দ্র যা দেওয়ার দেবে। তবে যাই দিক তাড়াতাড়ি দিতে হবে।

বিরোধীরা বৈঠকে আমফানকে জাতীয় বিপর্যয় ঘোষণার দাবি করেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে, ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন, সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি, ওমর আবদুল্লা, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী দেবেগৌড়া প্রমুখ।

এদিনের বৈঠকে কেন্দ্র বিরোধী মোট ২২টি দল অংশ নিয়েছিল। বৈঠক থেকে কেন্দ্রের কাছে ১১ দফা দাবি জানানো হয়। প্রতি দুস্থ পরিবারকে মাসে সাড়ে সাত কেজি করে চাল ও ১০ হাজার টাকা করে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বিরোধীরা।

Related Articles

Back to top button
Close