fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

কবে থেকে চলবে লোকাল ট্রেন? সোমবার ‘নবান্ন বৈঠকে’ রাজ্য-রেল

অভীক বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে লোকাল ট্রেন চালাতে চেয়ে পূর্ব রেলের তরফে প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে শনিবার রাতে রেলকে চিঠি দিয়েছিলেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, রাজ্যের ডাকে সাড়া দিয়ে সোমবার নবান্নে বৈঠকে বসছেন পূর্ব রেলের আধিকারিকরা।

করোনা মহামারী সময়ে কিভাবে সমস্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে লোকাল ট্রেন চালু করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা করতেই সোমবার নবান্নে বৈঠকে বসতে চলেছেন পূর্ব রেলের আধিকারিকরা।

আনলক-৫ পর্বে অনেক কিছু খুলে গেলেও ভিড় বাসে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে ঝুলে ঝুলেই গন্তব্যে যাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। সুযোগের সদ্বব্যহার করে সরকারি নির্দেশকে তোয়াক্কা না করেই ২-৩ গুণ ভাড়া নিচ্ছে বাস-ট্যাক্সিও। এদিকে লোকাল ট্রেন চালু না হওয়ায় স্পেশ্যাল ট্রেনে চড়ার দাবিতে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্টেশনে রেল অবরোধ করে মাঝেমধ্যেই হচ্ছে প্রবল যাত্রী বিক্ষোভ। সেই কারণে এবার যাত্রীদের অসুবিধার কথা ভাবনাচিন্তা করে লোকাল ট্রেন চলাচলের পক্ষে চূড়ান্ত সম্মতি জানিয়েছে নবান্ন।

শনিবার রাজ্যের তরফে পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজারকে পাল্টা চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকাল এবং বিকেলে লোকাল ট্রেন চালানো যেতে পারে। বিশেষ কোনও ‘মডেল’-এর মাধ্যমে লোকাল ট্রেনও চালু করা যেতে পারে। প্রতিদিন বিশেষ কয়েকজোড়া ট্রেন চালানোর আবেদন নিয়ে রেলকে চিঠি দিয়েছিলেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব এইচ কে দ্বিবেদী। যদিও দৈনিক যাত্রী সংখ্যার হিসেবে কষে রেল কর্তাদের মতে, ট্রেন চালু হলেই যাত্রীদের ভিঢ় আছড়ে পড়বে। তাই ট্রেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হলে বেশি সংখ্যক ট্রেন চালানো আবশ্যক। সোমবার নবান্নে এই সংক্রান্ত বৈঠকে এসবই তাঁরা বিস্তারিত জানাবেন বলে সূত্রের খবর। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন পূর্ব রেলের এজিএম, সিওএম, সিসিএম, হাওড়া ও শিয়ালদহের ডিআরএম। থাকবেন দক্ষিণ-পূর্ব রেলের আধিকারিকরাও।

শিয়ালদহের ডিআরএম এসপি সিং জানিয়েছেন, স্টেশনগুলির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে রাজ্য পুলিশ। কোথায়, কত সংখ্যক ট্রেন, কীভাবে চলবে, যাত্রীরা কার্ড না কিউআর কোড নাকি টিকিট কেটে ট্রেনে চড়বেন, সেসব বিষয়টি নির্ভর করছে রাজ্যের নির্দেশের ওপর। বৈঠকে সেই বিষয়গুলিই চূড়ান্ত করা হবে।হাওড়া, শিয়ালদহের মতো বড় স্টেশনগুলি বাদে দুই ডিভিশনে যে অজস্র স্টেশন রয়েছে, তাতে যাত্রী ভিড় নিয়ন্ত্রণের আগাম পরিকাঠামো তৈরি করে রেখেছে রেল। স্টেশনের দুই প্রান্ত টিন দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে, যাতে যে কোনও জায়গা দিয়ে যাত্রীরা ঢুকে পড়তে না পারে। তবে কম ট্রেন চলাচল করলে যাত্রীদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব হবে না, তা মুম্বই মডেলে জানা গিয়েছে। তাই ধাপে ধাপে দ্রুত বেশি সংখ্যক লোকাল ট্রেন চালানোর জন্য আবেদন জানানো হবে নবান্নের বৈঠকে।

Related Articles

Back to top button
Close