fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

পুরভোটের প্রস্তুতিতে জোর দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন

অভিষেক গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: লকডাউন পর্ব থেকে আনলক পর্বে পা দিতেই পুরভোট নিয়ে ফের শুরু হয়ে গেল প্রস্তুতি। করোনার জেরে রাজ্যে ভোট প্রক্রিয়া শুরু হয়ে ও স্থগিত হয়ে যায় পুরভোট। সূত্র মারফত খবর মিলেছে তাই এবার করোনার রুখতে লাগু মহামারী আইন শিথিল করে ভোট করানো যায় কিনা সে বিষয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা বসতে চায় রাজ্য নির্বাচন কমিশন। জানা গিয়েছে খুব শীঘ্রই চিঠি দিয়ে এ ব্যাপারে রাজ্য সরকারের মতামত জানতে চাওয়া হবে।

এর আগে চলতি বছরের মার্চ মাসে রাজ্যের স্বীকৃত সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাস অনির্দিষ্ট কালের জন্য ভোট পিছিয়ে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন।  অবশ্য সবার সঙ্গে আলোচনার পর ঐক্যমত্যের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে ছিল। ভোট প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার মধ্যেই জনতা কার্ফুর মধ্যে দিয়ে দেশ জুড়ে শুরু হয় লক ডাউন পর্ব শুরু হিয়ে যায়। ফলে বিগত আড়াই মাস ধরে কার্যত পুরভোট ঠান্ডা ঘরে চলে যায়।

এদিকে লকডাউনের মাঝেই শেষ হয়ে যায় কলকাতা পুরসভার মেয়াদ। তাই রাতারাতি পুর দফতর থেকে সার্কুলার জারি করে পুরমন্ত্রী তথা মেয়র ফিরহাদ হাকিমকেই রাজ্য সরকারের তরফে পুরসংস্থায় চেয়ারম্যান করে বসানো হয়েছে প্রশাসকমন্ডলীর। তাঁরাই এখন ওই সব পুরসংস্থার কাজকর্ম পরিচালনা করছেন। তা নিয়ে দফায় দফায় বিরোধিতা করেছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলগুলি। বিজেপি ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট ও হাই কোর্টের দারস্থ হয়েছে।

কিন্তু এভাবে দীর্ঘদিন চলা সম্ভব নয়। তাই কমিশন চাইছে পুজোর আগে পরে প্রয়োজনে মহামারি আইন শিথিল করে কলকাতা পুরনিগম সহ রাজ্যের অনান্য পুরসংস্থাগুলিতেও নির্বাচন করতে। তাতে একুশের বিধান সভার আগে কমিশন নিজেদের কিছুটা ঝালিয়ে নিতে পারবে। কোথায় কী ধরনের খামতি থাকছে তা দেখে রাজ্য নির্বাচন কমিশন বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতিটা করে নিতে পারবে।

রাজ্য সরকারকে মহামারি আইন শিথিলতার জন্য চিঠি দেওয়ার পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন চাইছে একটা সর্বদলীয় বৈঠক ডেকে সব রাজনৈতিক দলগুলির মতামত নিতে। বিশেষ করে প্রচারের ক্ষেত্রে কতটা ছাড় দেওয়া যেতে পারে ভিড় এড়াতে সেটা নিয়ে আলোচনা করতে চায় কমিশন। এরই পাশাপাশি তাঁরা ভোট কীভাবে হবে তা নিয়েও আলোচনা চালাতে চায়। মানে ইভিএমে না ব্যালট পেপারে। যদিও রাজ্য সরকার চায় ভোট হোক ব্যালট পেপারে। রাজ্য নির্বাচন কমিশন অবশ্য ইভিএম ও ভিভিপ্যাট ব্যাবস্থা করে রেখে দিয়েছে বলেই শোনা যাচ্ছে। তবে রাজ্য সরকার ব্যালট পেপারে ভোট চাইলে সেক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন বিরোধের পথে নাও হাঁটতে পারে।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close