fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

শিলিগুড়িতে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত শিক্ষকের পরিবারের পাশে দাঁড়াল রাজ্য

শিলিগুড়ি: করোনা আক্রান্ত হয়ে স্বামীর মৃত্যুর পর অবসাদে দুই শিশু কন্যাকে নিয়ে আত্মহননের চেষ্টা করেন শিলিগুড়ির চম্পাসারীর বাসিন্দা সীমা মাহাতো। গুরুতর আহত অবস্থায় সকলেই উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীম। এই পরিবারের পাশে দাঁড়াল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার সেই পরিবারটির সমস্ত রকম খোঁজ খবর নিতে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব। হাসপাতালের ডাক্তারদের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন।
এদিকে দুই শিশুকন্যা সহ মৃত শিক্ষক সঞ্জীব মাহাতোর আহত স্ত্রীর করোনা টেস্ট করানো হয়। স্ত্রীর করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ আসলেও শিশুকন্যা দুজনের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে বৈঠক শেষে পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব এ কথা জানান।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মঙ্গলবার শিলিগুড়ি ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা স্কুল শিক্ষক সঞ্জিব মাহাতোর করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর পর তার স্ত্রী দুই শিশুকন্যাকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে এসে এনজেপি স্টেশানে এসে দুই সম্তানকে বুকে জড়িয়ে ধরে রেললাইনে মরণ ঝাঁপ দেন। স্থানীয়রা সহ পুলিশ তাদের সবাইকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। মর্মান্তিক এই ঘটনার খবর মূখ্যমন্ত্রী পর্যন্ত পৌঁছায়। তিনি পর্যটন মন্ত্রীকে পরিবারটির চিকিৎসার সমস্ত তদারকী করার নির্দেশ দেন বলে মন্ত্রী জানান। পাশাপাশি মন্ত্রী আরও বলেন,  “মহিলার মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে। ছোট বাচ্চাটির একটি হাত ও একটি পায়ের ক্ষতি হয়েছে বড়টির পায়ে ক্ষতি হয়েছে। মায়ের গোড়ালি ভেঙে গিয়েছে  ও মাথার বাইরে চোট রয়েছে। সিটি স্ক্যানে  ইনটারনাল চোট অতটা নেই।  অর্থপেডিক, জেনারেল সার্জেনদের নিয়ে একটি টিম করে চিকিৎসা করা হচ্ছে। তবে বাচ্চা দুটো করোনা আক্রান্ত হওয়ায় তাদের মেডিক্যালেই চিকিৎসা করা হচ্ছে। ডাক্তাররা চেষ্টা করছে যাতে তাদের সেপটি সেমিয়া না হয়।  সরকার পুরো সাপোর্ট দিয়ে পরিবারের পাশে থাকবে। যে ঘটনা ঘটেছে তা ফিরিয়ে দেওয়া যাবে না। ভগবানের কাছে প্রার্থনা করব তারা প্রানে বাঁচুক।”

Related Articles

Back to top button
Close